‘কাবুলের শেষ প্রহরে’ গল্পের পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব

4

বিখ্যাত লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণ – কাহিনি: লেখা গল্প ‘কাবুলের শেষ প্রহরে’এটি বর্তমান অংশটি লেখকের বিখ্যাত ভ্রমণ – কাহিনি ‘দেশে – বিদেশে’ গ্রন্থের শেষ পরিচ্ছেদের সংক্ষিপ্ত অংশ বিশেষ। আফগান সরকারের শিক্ষা বিভাগের কাজ করার সময় লেখক কাবুলে অবস্থান করে ছিলেন। এ সময় তার গৃহ পরিচালক আবদুর রহমানের সঙ্গে গড়ে ওঠে এক গভীর মানবিক সম্পর্ক। গৃহ কর্ম ছাড়াও লেখকের দেখভালের প্রতিও আবদুর রহমানের ছিল তীক্ষ্ণ দৃষ্টি।
কিছু দিন পরে কাবুলের হঠাৎ অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে খাবার – দাবার সহ নিরাপত্তারও সংকট দেখা দেয়। এ সংকটে লেখক ও আবদুর রহমান অল্প খাবার ভাগ করে খেতেন। এ পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে আসার জন্য লেখক বিমানের একটি আসন লাভ করেন।
বিমান বন্দরে আবদুর রহমানের কাছ থেকে বিদায় গ্রহণের সময় আবেগঘন অবস্থার সৃষ্টি হয়।আফগানিস্তানে লেখকের উচ্চ পদস্থ বহু বন্ধু থাকা সত্ত্বেও আবদুর রহমানকেই পরম বান্ধব বলে তিনি স্বীকৃতি দিয়েছেন।
মানুষের প্রতি ভালোবাসার সত্যিকারের প্রকাশ জাতি বা শ্রেণিতে আবদ্ধ থাকে না-তা সর্ব দেশের, সর্ব কালের

 


আরো পড়ুন-


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

4

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

বিবেক-অন্ধ জাতি

কালিমার ওই মর্ম বেদীন ওরা বুঝলো ঠিক। বিপথগামী জাতির প্রতি ছড়াল শত ধিক। এই কালিমার নিশান রেখে অন্য নিশান ধরে,

শিক্ষক ও সংস্কৃতি

সংস্কৃতি যে মনের আলো জাগায় নতুন দীপ্তি, তা ছাড়া কি শিক্ষকতায় আসবে মনের তৃপ্তি? মনন মাঝে শিল্প নাচে মেটায় প্রাণের

অন্তরালে তুমি

প্রভু তুমি সব জায়গায় আছো জানি তাও, পাগল হয়ে তোমায় খুঁজি একটু দেখা দাও। বুকের মাঝে আছো প্রভু জীবন-স্বামী হয়ে,

অনুতাপের সিজদা

সারা জীবন সিজদা দিলাম প্রভুর পাওয়ার তরে, আসল সিজদা হয়নি দেওয়া রইলো কাযা পড়ে। বাহির পানে রইলো নজর ভেতর ছিল

One Reply to “‘কাবুলের শেষ প্রহরে’ গল্পের পাঠ-পরিচিতি ও মূলভাব”

Leave a Reply