ভালোবাসার দিবানা

0

ভালোবাসার দিবানা

পর্ব ৩

তিন বান্ধবী ক্লাসে বসে গল্প করছে তখনি ক্লাসে প্রিন্সিপাল স্যার আসে। সবাই দাঁড়িয়ে সালাম দেয় তার পর বসে পরে তখনো আরর্শি নিজের খাতায় কি জেনো আঁকিবুঁকি করছিল।

প্রিন্সিপাল: তোমাদের জন্য নতুন স্যার এনেছি আশা করি তোমরা তার সাথে ভালো ব্যবহার করবে। মি. চৌধুরী….

প্লীজ আসুন।

একজন যুবক ক্লাসে ঢুকে সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ‌।কালো প্যান্ট সাদা শার্ট উপরে ওভার সাইজ কোট শার্টের উপরের দুটি বোতাম খোলা, ধূসর রঙের চোখ হালকা বাদামি চুল, চুল গুলো লম্বা হওয়ায় কপালে এসে পরছে, সবাই ভাবছে এতো সুন্দর তাদের স্যার। অনেক মেয়ে তো ক্রাশ খেয়েছে।

প্রিন্সিপাল: আপনি ক্লাস করুন আমি এখন যাই।

এই বলে তিনি চলে গেলেন।

“So students আজকে আমার প্রথম ক্লাস তাই আজকে ক্লাস করবো না, আজকে শুধু পরিচিত হবো।

আমার নাম মেহরাব চৌধুরী মিহির।

আমি একজন বিজনেস ম্যান আর এটা Just শখ ছিল প্রফেসর হওয়ার তাই।

আরর্শি এতোক্ষণ খাতায় আঁকিবুঁকি করতে ব্যস্ত ছিল এতোক্ষণ ক্লাসে কি হলো কোনো দিকে খেয়াল ছিল না কিন্তু যখন মেহরাব চৌধুরী মিহির নামটা শোনার সাথে সাথে মাথা তুলে দেখলো,,, হ্যাঁ যা ভেবেছিল তাই। আরর্শি মুখ থমথমে গম্ভীর রাগী চোখে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেহরাব চৌধুরীকে দেখছে। একে একে সবাই পরিচয় দিয়েছে মেহরাব আরর্শির সামনে এসে দাড়ালো আরর্শির এমন লুক দেখে মেহরাব বাঁকা হাসলো কিন্তু কেউ দেখলো না নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে গম্ভীর গলায় বললো

“মিস আপনার নাম বলেন।

আরর্শি এইরকম ব্যবহারে কপাল কুঁচকে দাঁড়ায় তার পর কি জেনো ভেবে উত্তর দেয়

“আমার নাম আরিশা খান আরর্শি।

এতোটুকুই আর কিছু বললো না মেহরাব আরও কিছু জিজ্ঞেস করতে যাবে তার আগেই ঘন্টা দিয়ে দেয় তাই আর কিছু জিজ্ঞেস করে না। বেরিয়ে যাওয়ার সময় পিছনে ঘুরে সর্বপ্রথম আরর্শিকে এক নজর দেখে বাকি দের উদ্দেশ্যে বললো

“আজ প্রথম দিন তাই কিছু বললাম না But কাল থেকে আমার সব পড়া আমাকে বুঝিয়ে দিতে হবে।

হলে হনহন করে বেরিয়ে গেলো।

Time skip

ক্যান্টিনে বসে আছে আরর্শি আর তার বান্ধবীরা এমন সময় একজন মেয়ে এসে বললো

“তোমাদের মধ্যে আরর্শি কে তাকে নতুন স্যার মানে মেহরাব স্যার তার কেবিনে ডেকেছে।

বলে মেয়েটি চলে যায় আরর্শি ও তার বান্ধবী রিমা,তিশা,রুসা রাও অবাক হলো নতুন স্যার কেনো আরর্শিকে ডেকেছে?

রিমা আরর্শির উদ্দেশ্যে বললো

“কিরে স্যার কেনো ডাকছে?

আরর্শি নিশ্চুপ…

রুসা বললো

” সেটা তো গেলেই জানতে পাবো তাই না…এই আরর্শি যাবি না যা।

আরর্শি কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে কি জানো ভেবে উঠে মেহরাবের কেবিনের দিকে হাঁটা দিল। আরর্শি কেবিনে চার বার নক করলো কিন্তু ভিতর থেকে কোনো সারা শব্দ নেই তাই আরর্শি দরজা খুলে ভিতরে এক পা দিয়েই হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলো।

[আগে ভাইয়ের বাঘিনী নাম ছিল সেটা চেন্জ করে ভালোবাসার দিবানা দিলাম,কেউ কিছু মনে করবেন না। আর লেট করার জন্য সরি।]

চলবে


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

Keya Moni

Author: Keya Moni

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

“ভাইয়ের বাঘেনী”

হোটেল রুমে পড়ে আছে এক রমনীর নিথর দেহ।পড়নে তার কালো সুতির সেলোয়ার কামিজ।গালে পাঁচ আঙুলের ছাপ এবং শরীরের মারের দাগ।

ভাইয়ের বাঘিনী

একটি গোডাউনে দাঁড়িয়ে আছে টনি নামে এক ছেলে ভয়ে হাত-পা কাঁপছে,তার সামনে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে আরিফ খান

প্রতি দান

রাতে থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিছুক্ষণ,বৃষ্টি থেমেছে সবে। সকাল কখন হয়েছে চম্পা জানে না। চম্পা শুনেছে, ভোরের স্বপ্ন সত্যি হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র

অ্যাথেনার অলৌকিক হার্প

অনেক অনেক বছর আগে, প্রাচীন গ্রিসের এক ছোট্ট গ্রামে বাস করত এক কিশোরী মেয়ে—নাইরা। সে দরিদ্র ছিল, কিন্তু তার গলায়

Leave a Reply