পাহাড়ি নদী – ভাস্কর পাল

0

পাহাড়ি নদী

  • ভাস্কর পাল

 

ঝড়ের বেগে শীর্ণ পথে খরস্রোতা এক নদী ছোটে,

খাঁচা থেকে পেয়েছে ছাড়া, হয়ে উঠেছে দিশেহারা।

কোন পথে সে যাবে? নিজেও জানে না!

কোথায় গিয়ে হবে শেষ নেই যে ঠিকানা।।

 

সে নদী উত্তেজিত, স্রোত যে প্রবল তীব্র,

ভাঙন খেলায় মেতে উঠেছে তীব্র বেগে নেমে আসছে।

সময়ের সাথে বিবাদ করে একই সাথে চলবে বয়ে

সময় যেমন নেই যে থেমে, নদী চলছে প্রবল স্রোতে।

 

আঁকাবাঁকা পথ, মাঝে মাঝে এবড়ো খেবড়ো নুড়ির পাহাড়

বাধা এসে কত শত সব, সম্মুখেতে দাঁড়ায়-

স্রোতের সাথে বয়ে নিয়ে চলে, নুড়ি-কাঁকড়-বালি সব

হেথা হতে কোথা ছুটে চলে, পাহাড়ি নদী বয়ে যায়।

 

জলের ধারা উচ্ছসিত নবীন বেগের সঙ্গী

সব বাধা ফেলে ছুটে চলেছে পাহাড়ি নদী তেজি।

পাহাড়ি সেই ছুটতি নদী আপন বেগে যাচ্ছে ছুটে

বয়ে যাচ্ছে অজানা পথে উৎস হতে মোহনাতে।।

 


আরো পড়ুন-


 


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

ভাস্কর পাল

Author: ভাস্কর পাল

আমার নাম ভাস্কর পাল। জন্ম পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর অঞ্চলে। ছোটো থেকে মায়ের হাত ধরে বিদ্যালয়ের পত্রিকায় কবিতা লেখা শুরু। বিভিন্ন যৌথ বই এবং পত্রিকায় অনেক কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া ২০২২ সালে নিজের একটি একক কবিতার বই 'ফুলঙ্গিনী' প্রকাশিত হয়েছে।

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

পরম প্রিয় দাদি

পরম প্রিয় দাদির ছিল আদর মাখা মুখ, দেখলে দাদির সোনা মুখটা পেতাম মনে সুখ। দাদির সাথে খুব আদরে ছোট বেলা

শাপ- এর আমন্ত্রন

থাকেনা কেউই আজ সেখানে, ঐ পোড়ো রাজবাড়ির পাশে মোর ঘর। একসময় ওটি ছিল ঝাঁ চকচকে, আলোয় মোড়া স্বর্ণ সম দিঘীর

কবিতা মাথার তাজ আফছানা খানম অথৈ

কবিতা মহান গুরু আফছানা খানম অথৈ #booklovers #students #kobita #teaching শিশুকালে শিক্ষক আমাদের দিয়েছিলেন শিক্ষা তাদের মতো এমন করে কেউ

অন্তর্লোকের কণ্টকবীথি

অন্তর্লোকের শূন্যবাগানে চিন্তার বৃক্ষ জন্মে রাত্রির বীজ থেকে, বিষাক্ত নিঃশ্বাসের প্রাণীর কাঁটার জিহ্বায় হাসে প্রতারণার পরাগ, ঈর্ষা পোষে কৃত্রিমতায়, বিদ্বেষের

Leave a Reply