গল্প এ বাঁধন ছেঁড়া যাবে না আফছানা খানম অথৈ

0এ বাঁধন ছেঁড়া যাবে না আফছানা খানম অথৈ নীল পরিবারের একমাত্র ছেলে।লেখাপড়া শেষ করে ব্যবসা বাণিজ্যে মন দিলো।ব্যবসার কাজে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন শহরে অধিকাংশ সময় আসা যাওয়া করে।একদিন তার সাথে পরিচয় হয় অনার্স এ পড়া কনার সঙ্গে।কনা ভার্সিটিতে যাবে ষ্টেশনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছে।ঠিক তখনি নীল গাড়ি থামিয়ে বলল, “এক্সিউজ মি” কোথায় যাবেন? কনা আশ

গল্প পাগল তোর জন্য আফছানা খানম অথৈ

0পাগল তোর জন্য আফছানা খানম অথৈ আঁখি বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে।অতি আদর যত্নে সে মানুষ।পড়ালেখায় ও ভালো।তবে আচার আচরণ একটু রুক্ষ ও বদ মেজাজি টাইপের।আর হবে না কেনো বাবা-মা আদর ছাড়া কখনো শাসন করেননি তো তাই।যখন যা চেয়েছে তা দিয়েছেন।কখনো কোন আবদার অপূর্ণ রাখেননি।মেয়ের আচার আচরণ চলাফেরা কোন কিছুতে উনাদের কোন আপত্তি নেই।মেয়ে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে

গল্প ব্ল্যাকমেইল আফছানা খানম অথৈ

0ব্ল্যাকমেইল আফছানা খানম অথৈ রাশেদ হায়দার ওরফে রাশু নিজেকে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা বলে ন্যাশনাল আই ডি তৈরী করেছেন।ঢাকার মফস্বল শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন।শুধু তাই নয় নকল মা-বাবা,ভাই-বোন আত্মীয়-স্বজন বানিয়ে বিয়ে করার নামে নারীদেরকে ব্ল্যাকমেইল করছেন। প্রথমে ভিবিন্ন উচু লেভেলের চাকরীজীবি অবিবাহিতা মেয়েদের তালিকা তৈরী করে নিলেন।চেহারা চুরুত দেখতে মন্দ না মাসআল্লাহ অনেক ভালো,তার

শশ্মানের সেই রাত। পর্ব-০২। সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0  বাহির থেকে ভেসে আসছে বাতাসের শোঁ-শোঁ শব্দ। বৃষ্টির বেগটা কিছুটা কমে এসেছে। ঝিরিঝিরি ধারায় হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে বাহিরে। আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে। বাহিরে কিছু আলোর দেখা মিললো এতোক্ষণে। কিন্তু এসবে কোনো ধ্যানই নেই এই তিন যুবকের। তারা তো ঘুমে মগ্ন। তবে বর্তমানে মাহিনের ঘুমটা একটু হালকা হয়ে এলো। কিন্তু মাহিনের কানে কেমন একটা মৃদু

অপেক্ষা। পর্ব-০৮। সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0  চারদিকে পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনা যাচ্ছে। আমেনা বেগম নামজ শেষ করে মেয়ের পছন্দের পুলি পিঠা বানাতে ব্যাস্ত। মেয়েটা ভিতরে ভিতরে অনেক বেশি ভেঙ্গে পেরেছে তা উনি বেশ বুঝতে পারছেন। তাই তো মেয়ের পছন্দের পিঠা বানিয়ে মেয়ের মুখে হাসি ফুটাতে চান। এর’ই মাঝে সেখানে পাশের বাসার রহিমা খাতুনের আগমন ঘটে। উনাকে দেখে আমেনা বেগম খানিকটা

শশ্মানের সেই রাত। পর্ব-০১। সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

1  মাহিন : বন্ধু রমেশ! রমেশ : হ্যাঁ বন্ধু। মাহিন : আমাদের মনে হয় আজ রাতে বের হওয়াটা ঠিক হয় নি। রমেশ : হঠাৎ এই কথা যে? মাহিন : আকাশের অবস্থা দেখেছিস? এছাড়াও চারদিকে কেমন ঝড় হাওয়া বইছে। যেকোনো সময় প্রবল বেগে বৃষ্টি নেমে যাবে। রমেশ : এতো আরো ভালো কথা। আজ প্রকৃতিও আমাদের সাথে

অপেক্ষা। পর্ব-০৭। সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0  আলো আর জহির রায়হান মুখোমুখি বসে আছে। আলো মাথা নত করে নিরবে চোখের আশ্রু বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছেন। তার একপাশে আমেনা বেগমও দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলছেন। যা দেখে জহির রায়হান মুখে বিরক্তিকর শব্দ উচ্চারণ করলেন। “কি সমস্যা তোমাদের? এভাবে কাদছো কেন মা মেয়ে মিলে?” জহির রায়হানের কথার পিঠে আমেনা বেগম বলে উঠলেন,”কান্দমু না তাইলে? আমার

অপেক্ষা। পর্ব-০৬। সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি

0  ফজরের নামাজ শেষ করে আলো জানালার কাছে গিয়ে একধ্যানে তাকিয়ে রইলো। সারা রাত কান্নার জন্য চোখ মুখ ফুলে আছে। কি করে বাবার সামনে যাবে সেটা ভেবেই কান্না পাচ্ছে আলোর। হঠাৎ পিছন থেকে পুরুষালি কন্ঠে নিজের নাম শুনতেই পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখলো আলোর অতি নিকটে রোশান দাঁড়িয়ে আছে। রোশান মূলত এসেছিলো আলোকে পড়ানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু

গল্প ভালোবাসতে মন লাগে আফছানা খানম অথৈ

0ভালোবাসতে মন লাগে আফছানা খানম অথৈ আসিফ চৌধুরী ও তার স্ত্রী মমতাজ চৌধুরী ঠিক করলেন,একমাত্র ছেলে শাকিব চৌধুরীকে গ্রামে বিয়ে করাবেন।কারণ গ্রামের মেয়েরা নাকি ভদ্র ও সংসারমুখী।তাই দু’জন ছুটে এলেন গ্রামের বাড়িতে।পাত্রী দেখা শুরু করলেন।সপ্তাহ খানেকের মধ্যে তারা শাকিব চৌধুরীর বিয়ে ঠিক করলেন।প্রাইমারী স্কুল টিচার মন্নান মাস্টারের মেয়ে সাদিয়া আফরিন লাবন্যকে।লাবন্য গ্রামের কলেজে ডিগ্রীতে পড়ছে।লাবন্য

গল্প গোলাপি আফছানা খানম অথৈ

0গোলাপী আফছানা খানম অথৈ গোলাপীর বয়স যখন পাঁচ বছর তখন তার বাবা-মা মারা যায়।তাদের দু’জনের মৃত্যু ছিল খুব মর্মান্তিক।মাত্র দু’দিনের পার্থক্যে দু’জন মানুষ মারা গেল,তাও আবার কঠিন বসন্ত রোগে।রোগটা ছিল খুব খারাপ।আগেকার দিনে এসব রোগের কোন চিকিৎসা ছিল না।মিলাদ, মাহফিল, জিকির এসব ছিল বসন্ত রোগের মতো বড় রোগের ঔষধ।এ রোগ যে বাড়িতে ঢুকত দু’চারটা নিয়ে