0ইভটিজিং আফছানা খানম অথৈ সোহেল লেখাপড়ায় খুব ভালো ছিল।ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে গ্রামের কলেজ থেকে।তারপর শহরে গিয়ে ভার্সিটিতে অনার্স’এ ভর্তি হয়।প্রথম প্রথম সে পড়ালেখা নিয়ে খুব ব্যস্ত ছিল।একদিন বখাটে সামছু তাকে ডাক দেয়।সে এগিয়ে গেলে বলে, এই সোহেল তুই আমাদের দলে যোগদে। প্লিজ ভাই আমাকে ক্ষমা কর।আমি এসব পারব না। পারব না বলাতে বখাটে সামছু তার
Category: বাংলা গল্প
0 “খাবি না তো? তাহলে আয় তোদের খাই।” বলেই বাচ্চাটা উঠে দাড়ালো। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই বাচ্চাটা কেমন একদম আলীর সামনে এসে দাড়ালো। এতোক্ষণে আলীর বোধগম্য হলো নিজেদের বাচতে হবে। মাহিনকে বাচাতে হবে। যে চলে গেছে তাকে তো আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। তবে আর কাউকে যেনো এমন নির্মম মৃত্যুর শিকার না হতে হয়
0 ঘড়ির কাটা জানান দিচ্ছে এখন রাত তিনটে বেজে দুই মিনিট। মাহিন ভয়ে জুবুথুবু হয়ে বসে আছে। আর মনে মনে সকল প্রকার সূরাহ, কোরআনের আয়াত পড়ে যাচ্ছে যা সে জানে। বাকি দুজন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। মাহিন ওদের ডাকেনি কারন একটাই। ওরা নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে ঘুমোক। ওদের কেনো ডেকে ভয়ে ফেলবে মাহিন? কিন্তু মিনিট পাচেক পরেই আলী আড়মোড়
0এত কষ্ট কেনো ভালোবাসায় আফছানা খানম অথৈ শান্ত আর সুমি দু’জনের মাঝে পরিচয় হয় কোন এক শুভক্ষণে।শান্ত মাস্টার্স আর সুমি অনার্স ফাইনাল ইয়ার।শান্ত’র ফ্যামিলি স্ট্যাটাস খুব হাই লেভেল,কিন্তু সুমি’র ফ্যামিলি স্ট্যাটাস খুব নিচু লেভেল।তবুও একে অপরের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে উঠে।মনের অজান্তে শান্ত সুমিকে ভালোবেসে ফেলে।অনুরুপ সুমির ক্ষেত্রেও তাই। কিন্তু সাহস করে বলতে পারছে না।কারণ
3আমি সুমানা বেগম। সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করি। আমার বাবার নাম হাজী মো. আতাউর রহমান এবং মায়ের নাম তায়্যিবা খানম। তারা কেউ বেঁচে নেই। আমি তাদের সব ছোট মেয়ে। বিয়ানী বাজার সরকারি কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন করেছি এবং সিলেট এম. সি. কলেজ থেকে মাষ্টার্স। আমার স্বপ্ন ছিল চাকরি করব। কিন্তু চাকরির ক্ষেত্রে তেমন
0তাবুতে সাকিনা আফছানা খানম অথৈ আজ আমি জানাবো ইহুদী জাতির ইতিহাস এবং তাবুতে সাকিনা সম্পর্কে।ইহুদীরা কেনো এখনো তাবুতে সাকিনা খুঁজে বেড়াচ্ছে? তাবুতে সাকিনার বাংলা অর্থ হচ্ছে শরিয়ত সিন্দুক। এটা খোঁজার পেছনে ইহুদীদের কী ষড়যন্ত্র রয়েছে,এবং এটা পাওয়ার পরে কি করতে চাই? সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন…। আজ ও ইহুদীরা বিভিন্ন বাহানায় পুরো পৃথিবীতে খোদাই করে
0স্বপ্নে দেখা পুরুষ আফছানা খানম অথৈ সকাল নয়টা উর্মি এখনো ঘুমাচ্ছে। কলেজের সময় হয়ে গেছে।মা এগিয়ে এসে মেয়েকে জাগিয়ে দিলেন।উর্মি চোখ মেলে মায়ের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে।মা তো অবাক কথাবার্তা ছাড়া মেয়ে এমন করে তাকিয়ে আছে কেনো।তখনি মা বলল, উর্মি এমন করে তাকিয়ে আছিস কেনো?কলেজে যাবি না? মায়ের কথা যেন উর্মির কানে যাচ্ছে
0 স্কুল থেকে প্রবেশ পত্র আনতে যেতেই সবাই কেমন আলোর দিকে আড় চোখে তাকিয়ে রইলো। আলো ভালো ভাবেই বুঝতে পারলো এভাবে তাকিয়ে থাকার কারন। আলো আরো একবার জহির রায়হান ও রোশানের বলা কথাগুলো স্মরণ করে নিলো। তারপর সবার দিকে তাকিয়ে ক্রোধিত স্বরে শুধালো,”কি সমস্যা? এমনে তাকাইয়া আছোছ কেন সবাই? আমারে কি কোনোদিন দেহছ নাই?” সবার
0দেখতে দেখতে চারটা দিন কেটে গেলো। আজ চারদিন পর আলো বাড়ির বাহিরে নিজ পা ফেললো। এতোদিন কেমন নিজেকে বন্দি খাচার পাখি মনে হয়েছে। সবার নানা ধরনের কটুক্তির ভয়ে আলো নিজেকে সবার থেকে আড়াল করে রেখেছিলো। কিন্তু আলো এই চারদিন নিজের বাবার বলা কথা গুলো অনেক ভেবেছে। ভেবেছে রোশানের বলা কথাগুলো। আলো উপলব্ধি করেছে সে ভুল
0কাজের মেয়ে আফছানা খানম অথৈ শুভ চৌধুরী লন্ডন থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফিরেছে।একমাত্র ছেলের আগমনে মা-বাবা খুব খুশি।একমাত্র ছেলেকে রিসিভ করতে ছুটে গেলেন দু’জনে এয়ারফোর্টে।সন্ধ্যা সাতটার ফ্লাইটে শুভ চৌধুরী বাংলাদেশে ল্যান্ড করলো।বাবা-মা সাদরে ছেলেকে বরণ করে বাসায় নিয়ে আসল।কাজের মেয়ে হাফসা হেনা চা নাস্তা দিয়ে ডাইনিং টেবিল সাজিয়ে দিলো।শুভ চৌধুরীর পলক যেন পড়ছে না।হাফসা