“ভাইয়ের বাঘেনী”

0

হোটেল রুমে পড়ে আছে এক রমনীর নিথর দেহ।পড়নে তার কালো সুতির সেলোয়ার কামিজ।গালে পাঁচ আঙুলের ছাপ এবং শরীরের মারের দাগ। রমনী এক দিন আগের কথা ভাবছে, এক দিন আগের কথা…………… রান্না ঘরের মেঝেতে শুয়ে আছে রিশা। হঠাৎ ওর মুখে পানি পড়ায় ধরফর করে উঠে বসে। পাশ থেকে তার সত মা নিলিমা সিকদারের কর্কশ গলায় বলা কথা ভেসে আসে..

‘‘মহারানী ভিক্টোরিয়া এতো বেলা হলো চা পেলাম না কেনো, আর রান্না কি তোর মারা মা এসে করে দিবে?

‘‘এইতো মা এখনি করছি ।

‘‘তোকে কতো বার বলছি আমাকে মা ডাকবি না আমি তোর মা না।

‘‘সরি ম্যাডাম।

নিলিমা সিকদার আর কিছু না বলে ওখান থেকে চলে যান। রিশা উঠে ফ্রেশ হয়ে রান্না করতে লাগলো। রিশা রান্না করতে করতে চলো তোমার এদের পরিচয় দিয়ে দেই।

আমাদের গল্পের নায়িকা নাম রিশা মনি। রিশা যখন ১২ বছর বয়স তখন তার মা মারা যায়। ‘রিশার এখন বয়স ১৭’। তার ঠিক দু’দিন পর তার বাবা জামশেদ সিকদার দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘরে তুলে নিলিমা সিকদারকে সাথে ছিল এক ২০ বছরের ছেলে নাম রেদোয়ান সিকদার। নিলিমা সিকদারের পাশে ছিল রিশার বয়সী এক মেয়ে নিশি সিকদার। গোপনে সম্পর্ক ছিল নিলিমা সিকদারের সাথে। বাকিটা গল্পে জানতে পারবে। পরিচয় দিতে দিতে রিশার রান্নাও শেষ।

Time skip

সব কাজ শেষ করে রিশা কলেজ স্কুল যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে ওর সত মাকে বলে চলে যায়। অবশ্য স্কুল যাওয়া নিয়েও কথা শুনিয়েছে।

 

ক্লাস শেষে রিশা যখন বের হচ্ছিল তখন একটা ছেলের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে যেতে নিলে ছেলেটা ধরে ফেলে। রিশা ছেলেটার থেকে দূরে সরে সরি+ধন্যবাদ দেয়। ছেলেটা ওর ক্লাসমেট নিখিল, নিখিল রিশাকে পছন্দ করতো। নিখিল হেঁসে হেসে কথা বলছিল রিশার সাথে এটা আবার দূর থেকে নিশি দেখে রাগে ফুঁসতে থাকে কারণ নিখিলকে নিশি ভালোবাসে।

চলবে

[আজকে জন্য এতো টুকুই। পাঠিকা আসসালামুয়ালাইকুম আমি নতুন লেখিকা আমার গল্প কেমন লেগেছে বলবেন। ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন সবাই আল্লাহ হাফেজ]

 


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

Keya Moni

Author: Keya Moni

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

ভাইয়ের বাঘিনী

একটি গোডাউনে দাঁড়িয়ে আছে টনি নামে এক ছেলে ভয়ে হাত-পা কাঁপছে,তার সামনে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে আরিফ খান

প্রতি দান

রাতে থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো, কিছুক্ষণ,বৃষ্টি থেমেছে সবে। সকাল কখন হয়েছে চম্পা জানে না। চম্পা শুনেছে, ভোরের স্বপ্ন সত্যি হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র

অ্যাথেনার অলৌকিক হার্প

অনেক অনেক বছর আগে, প্রাচীন গ্রিসের এক ছোট্ট গ্রামে বাস করত এক কিশোরী মেয়ে—নাইরা। সে দরিদ্র ছিল, কিন্তু তার গলায়

নীলচোখা জলপরী

শঙ্খনদী গ্রামের সকাল সবসময় সমুদ্রের শব্দ দিয়ে শুরু হয়। মাটির ঘরগুলোর চালের ফাঁক দিয়ে বাতাস ঢোকে, আর বাতাসের সাথে ভেসে

Leave a Reply