আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি

0

যদি এমন হতঃ

 

শয়তান একদিন আল্লাহর সাথে বচসা করলেনঃ ‘আমি আর কাউকে ধোকা দিবনা তুমি কি করবে?  আমি তোমাকে সাত আসমান, সাত জাহান্নাম দান করব।তাহলে এখনই দান কর। না সেটি সম্ভব নয়। কেন? কারন, তুমি আমাকে ধোকা দিচ্ছ।কিভাবে?  তুমি যে  আমাকে এ কথা বলছ এর সত্যতা কি?  এর সত্যতা হলে তুমি ; কারন, তোমার উপর কোন মাবুদ নাই।না আমি সে কথা বিশ্বাস করিনা। কেন? কারন, তুমি কখন কি কর তার কোন ঠিক নাই।তাহলে, তুমি আল্লাহ হলে কি করে?  এমন আল্লাহ আমি মানিনা।তাহলে তুমি নিপাত যাও। আমাকে নিপাত দেওয়ার কোন ক্ষমতা তোমার নাই।

সেই থেকে শয়তান যা ইচ্ছা তা করে। সে মানুষ দেখলেই ধোকা দেয় ; বলে আমার কাছে আসি বস্; আমার কাছে না আসলে তোর সব বৃথা যাবে।  মানুষ বলে তোকে আমরা বিশ্বাস করিনা, তুই জ্বলে পুড়ে মরবি।শয়তান বলে, আমাকে জ্বালানোর সামর্থ্য কারো নেই। তাহলে তুই কিসের তুই কিসের শয়তান হলি! আমি এমন এক শয়তান যে শয়তানের কারসাজি কোন শয়তানও জানেনা।তাহলে তোকে আমরা বিশ্বাস করিনা; আজ থেকে আমরা যা ইচ্ছা তা করব।

সেই থেকে মানুষ যা ইচ্ছ তা করে? সে মানুষ দেখলেই পাগল বলে।তখন অন্যরা বলে, তুই যদি পাগল না হতি আমি পাগল হতাম কি করে?

সেই থেকে পৃথিবী পাগলে পাগলে ভরা। এখন একজন আরেকজন দেখলে বলে, তুই মরবিনা?তখন আরেকজন বলে, তুই না মরলে আমিও মরবনা!

এখন কথা হল মানুনষের কি মৃত্যু আছে?  অবশ্যই আছে। না, থাকলে তো গতকালও তিনজন মরতনা!

কাজেই, আল্লাহ’ বিশ্বাস করতে হবে। যে আল্লাহ’ বিশ্বাস করবেনা সে কি? অবিশ্বাসী। এমন অবিশ্বাসে…. যেন পৃথিবী ভরে না যায়।

 


আরো পড়ুন-


 


56
বিজ্ঞাপনঃ মিসির আলি সমগ্র ১: ১০০০ টাকা(১৪% ছাড়ে ৮৬০)

0

মোঃ আরিফ হোসেন

Author: মোঃ আরিফ হোসেন

আমার জন্মস্থান বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলা। জন্ম তারিখ ০১/০১/১৯৮৪।আমি জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে বিবিএ পাস করেছি ।আমি মোঃ আরিফ হোসেন নামে কবিতা লিখি। এছাড়া আমার মোঃ আরিফ সর্দার নামে একটি কবিতার বই বেরিয়েছে, নাম, কনকচাঁপা দোদুল দোল।আমার ফেসবুক একাউন্ট এর নাম মোঃ আরিফ হোসেন ( সেখানে গিয়েও আমার কবিতা পড়তে পারেন)

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

কবিতা জেগে উঠো নারী আফছানা খানম অথৈ

কবিতা জেগে উঠো নারী আফছানা খানম অথৈ তোমার আমার নিরাপত্তা নেই আজ বাংলাতে জেগে উঠো নারী এবার চুপ থেকোনা রাতে।

প্রশ্নমালার কাঠগড়ায়

প্রশ্নমালার কাঠগড়ায় দাঁড়ায় সত্তা ইতিহাসবর্জিত, সাক্ষীবিহীন, নিজস্ব চেতনার অন্তঃপ্রাঙ্গণে ন্যায় বিধান,  আত্মানুসন্ধানের অবশ্যম্ভাবী অনুশাসন । প্রশ্নেরা উচ্চারিত শব্দ, অস্তিত্ববিদারী প্রতিসংস্কার, চিন্তার

সুশাসনের আলো

সবার কাছে সরকার হবে ন্যায়-নীতিতে স্বচ্ছ,, জনস্বার্থের লক্ষ্য তাদের থাকবে সদাই উচ্চ। দুর্নীতি আর অন্যায়ের ঐ কালো ছায়া মুছে, সব

সেলাই জীবন

ভোর বেলাতে জাগছে তারা কাজ চালাতে দুই, মেশিন চলে খটখটানি স্বপ্ন বোনে সুই। হাজার রঙের সুতো দিয়ে কাপড়গুলো ধুই, নিজের

Leave a Reply