106210120 150895546608397 3217571511384176693 n

মানসিক প্রতিবন্ধিতা নির্মূল করতে চাই – পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও উপযুক্ত ভালোবাসা

মানসিক প্রতিবন্ধিতা নির্মূল করতে চাই – পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও উপযুক্ত ভালোবাসা —–ম্যাকি ওয়াদুদ

আদিকাল থেকেই আমরা মানুষ সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করে আসছি। তাই মানুষকে সামাজিক জীব বলতে কোন দ্বিধা নেই। মানুষ খুব বেশি সঙ্গীপ্রিয়ও বটে। সঙ্গী ছাড়া মানুষ বেশি দিন সুখ-শান্তি ও সুন্দরভাবে জীবন-ধারণ করতে পারেনা। মানবপ্রেমে এই সঙ্গী শুধু কোন ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, ব্যক্তির সাথেসাথে কোন বিশেষ বস্তুও মানুষের আবেগ, প্রেম, ভালোলাগা, অপছন্দ-হতাশাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। একজন মানুষের মস্তিষ্কের প্রধানত দুইটি দিক যেমন গুরু ও লঘু মস্তিষ্কই জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতার জন্য দায়ী। গুরু মস্তিষ্ক মানুষের আবেগ-বিবেকের অনুভূতি গ্রহণ ও বিশ্লেষণ এবং তার ভিতরের সৃষ্টিশীল ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানসিক বোধকে নিয়ন্ত্রণ করা। লঘু মস্তিষ্ক মানুষের চলাফেরা , মনোযোগ, ভাষা, রাগ-অভিমান এবং বিভিন্ন শারিরীক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া এসব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্যেই মানুষের শিশুকাল থেকে পৌড়ত্ব ও বার্ধক্যের আটটি স্তরের প্রতিটি ধাপের সাথেই জড়িয়ে আছে আমাদের শারিরীক ও মানসিক স্বাস্থের উন্নতি ও অবনতি। ভালোবাসা-প্রেম একজন মানুষকে যেমন করে সুখ-শান্তি দেয় তেমনি করে অবহেলা ও হতাশা জীবনের পরম প্রাপ্তিগুলো থেকে তাড়িত করে। এজন্যেই ইতিবাচক ও নেতিবাচক এই দুই ধরণের মানুষ দ্বারা প্রতিনিয়ত পরিচালিত হচ্ছে আমাদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামো।

মানসিক ও শারিরীক সুস্থতাই একজন মানুষকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করে। আমাদের চারপাশের পরিবার-সমাজ –রাষ্ট্রের মানুষগুলোর উপর নির্ভর করে মানুষের মনোজগতের বিকাশ। মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে শারিরীক স্বাস্থ্য ভারসাম্যহীন ও জর্জরিত হয়ে পড়ে। মানুষের জীবনধারণ, আচার-আচরণ, অভ্যাস, কুষ্টি-কালচার, জীবন-জীবিকাসহ সকল মৌলিক চাহিদাসমুহ সঠিক ও সুস্থ্য-সুন্দরভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য সৃষ্টি হয়েছে পরিবার-সমাজ ও রাষ্টের নানা নিয়মকানুন ও বিধি-নিষেধ। এই অপরুপ সুন্দর পৃথিবীর রং-রুপ ও গন্ধ-সৌন্দর্য সবকিছু আহরণের জন্য যেমন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকার রয়েছে ঠিক তেমনি করে সমাজের এই কঠিন বাস্তবতায় বেঁচে থাকা ও বেড়ে উঠায় এবং প্রতিটি কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও অবদানে রয়েছে সমান সুযোগ ও অধিকার। আমাদের এই পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্রর সমস্ত কিছুর নিয়ামক ও ভিত্তি নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত করছে সমাজের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষগুলোর মধ্যে যারা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। যে পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্র বাবস্থায় সামষ্ঠিক বলতে সকল মানুষকে সমান সুযোগ ও উপযুক্ত মর্যাদা বা মূল্যায়নের মাধ্যমে পরিচালিত করে সেই সমস্ত দেশ ও সমাজের জনগোষ্ঠী সুখ-শান্তিময় জীবনধারণ করতে পারে। আর যে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার ধারক বা বাহক ও নেতৃস্থানীয় এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা নিজেদের একক স্বার্থকে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে পরিচালনা করে সে সমাজের মানুষের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব বেশি কাজ করে। যার কারণে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর আমাদের মানসিক সুরক্ষার বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে।

আমরা যে সমাজে বা পরিবেশে বাস করছি তা নির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ ও নিয়ম-কানুন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। সমাজে বাস করছে নানা শ্রেণি-পেশা ও জাত-গোষ্ঠির মানুষ। এক এক শ্রেণি পেশার ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, চালচলন, আচার-আচরণ ও কর্মকান্ডে ভিন্নতা রয়েছে। তবুও আমরা সকল মানুষ সমাজের একই ছাতার নীচে সংঘবদ্ধ ও সমাজবদ্ধ থাকতে হচ্ছে শুধুমাত্র আমাদের বেঁচে থাকাসহ সকল প্রকার চাহিদা মেঠানোর জন্য। আমরা বিভিন্ন শ্রেণি=পেশার মানুষ একসাথে ধাকি বলে একে অপরের কার্যক্রম, আবেগ-বিবেক, ইচ্ছা-অনিচ্ছা, আগ্রহ ও প্রেম-ভালোলাগাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন ও মর্যাদা দিতে পারিনা। সেকারণেই সমাজে মানুষ-মানুষে পরস্পর পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া-বিবাধ, হিংসা-বিদ্বেষ, অন্যায়-অত্যাচার লেগেই আছে সারাক্ষণ। মানুষ শুধুমাত্র নিজে বা নিজের গোষ্ঠির উন্নতি নিয়ে ভাবলেই নিজেকে থুব মহান করছে। ব্যক্তিগত স্বার্থপরতা বা ভাবনা সামাজিক এই সংঘবদ্ধ মানুষের সামগ্রিক উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সেই জন্যে মানুষ নিজের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সামষ্ঠিকভাবে ভাবতে পারেনা বিধায় মানুষের মনে এক ধরণের হতাশা, রাগ-অভিমান, হিংসা-বিদ্বেষ কাজ করে। যার জন্যে এক জাত-গোষ্ঠির মানুষ অন্য জাতিধর্মের মানুষকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন বা মর্যাদা এবং তাদের কাজের স্বীকৃতি দেয়না। ফলশ্রুতিতে পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্রের একশ্রেণির মানুষ যারা দিনকে দিন শোষণ-বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার হয়ে মূল-শ্রোত-ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তারা পরিবার বা সমাজের এই অন্যায় অত্যাচার ও বৈষম্য মেনে নিতে পারেনা বিথায় তার ভিতরে গুরুমস্তিষ্কের ভাবনা থেকে লঘু মস্তিস্কের ভাবনা বেশি কার্যকর হয়ে প্রকট আকার ধারণ করে। এতে করে মানুষ শারিরীক ও মানসিক অসুস্থ্য হয়ে প্রতিবন্ধিতার শিকার হয়ে সে পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে অবহেলিত ও অযোগ্য হয়ে পড়ে।

আমাদের এই ঘুনেধরা ক্ষুয়িষ্ণু ও কুসংস্কারচ্ছন্ন সমাজ ব্যবস্থায় মানুষ একে অপরকে সহজভাবে গ্রহণ ও মূল্যায়ন করতে পারেনা বিথায় সমাজে নানান সমস্যা বিদ্যমান রয়েছে। পরিবার ও সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের ব্যক্তিগত আগ্রহ ও স্বার্ধ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে নিজের দোষ অন্যের কাঁধে চাপিয়ে দিতেও কুন্ঠাবোধ করেনা। মানুষ নিজেকে সমাজে সবচেয়ে সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তার চারপাশের জগতকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেয়। এতে করে সমাজের অন্য জাত-গোষ্ঠি বা ভাষা-সংস্কৃতির জনগোষ্ঠির মর্যাদা, সমতা, অধিকার , সম্মান লঙ্ঘিত হলেও তাদের কিছু যায় আসেনা। তাছাড়া দীর্ঘকাল ধরে মানুষ নিজেকে বা চারপাশের জগতকে নিজের নিয়ন্ত্রানাধীন করার জন্যে কিছু যুক্তিহীন ধ্যান-ধারণা, ধর্মীয় বিধি-নিষেধ, অবৈজ্ঞানিক ও অপ্রামাণ্য যুক্তি ও কুসংস্কার লালন করে আসছে। মানুষ বংশ পরস্পরায় ও যুগযুগ ধরে যা বিশ্বাস করে আসছে তা অধীনস্থদের মধ্যে প্রযোগ করে নিজে সুথ-শান্তির জগতে আরোহন করতে বড়ই উচ্চাকাঙ্খী। মানুষ দৈনন্দিন বিভিন্ন ব্যক্তিগত কর্মকান্ডসহ সমাজ-সংসার ও সামাজিক বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে তাদের মনগড়া রীতি-নীতি ও ভ্রান্ত ধারণা বিশ্বাস ও প্রধাগুলো প্রযোগ করছে। এই সামাজিক কুসংস্কার বা ভ্রান্ত রীতি-নীতিসমুহ আমাদের পরিবারিক ও সামাজিক জীবনের সর্বক্ষেত্রে আষ্টেপিষ্ঠে জড়িয়ে আছে। গ্রামিণ সমাজে এই সামাজিক কুসংস্কার বা সোস্যাল স্টিগমা বেশি পরিলক্ষিত হলেও আমাদের ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ভালো-মন্দ ও জ্ঞানী-মূর্খ মানুষের মধ্যেও কমবেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। মানুষের মধ্যে এই কুসংস্কার ও ভ্রান্ত বিশ্বাস থাকার ফলে তারা নিজেকে সময় ও যুগের সাথে হালনাগাদ করে নিতে পারেনা এবং নতুন-নতুন কলাকৌশল ও বৈজ্ঞানিক প্রামান্যক যুক্তি বিশ্বাসে নিজেকে বদলাতে পারেনা।

সামাজিক ও সংঘবদ্ধ এই পৃধিবীর সবচেয়ে সেরা জীব মানুষের মানসিক প্রতিবন্ধিতার অন্যতম প্রধান দুইটি কারণের মধ্যে প্রথমটি হলো পরিবার ও সমাজের রন্ধ্রেরন্দ্রে ছড়িয়ে থাকা কুসংস্কারসহ কুপ্রধা ও কুবিশ্বাস এবং দ্বিতীয়টি হলো – পারিবারিক ও সামাজিক অবজ্ঞা-অবহেলা, পারস্পরিক দ্বন্দ-সংঘাত, শোষণ-বঞ্চনা এবং হিংসা-বিদ্বেষ ও বৈষম্য-অবমূল্যায়নসহ ব্যক্তিগত বিশেষ কোন বস্তু বা আগ্রহের প্রতি আসক্তি। যার ফলে মানুষ পরিবার ও সমাজ-সভ্যতা এবং নিজের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে নিজেকে তার স্বপ্নের জাগরণের বিমূর্ত প্রতীক সমাজ-সংস্কৃতি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখে। তখন তাদের খুব স্বাভাবিক কোন কার্যক্রমও তার পারিপাশ্বিক জগৎ-সংসারের মানুষরা সহজভাবে মেনে নিতে পারেনা। এমনকি ওই মানুষগুলোকে পরিবার ও সমাজর কাছে পাগল, উম্মাদ, সাইকো বা মানসিক রোগী হিসেবে কটুক্তি বা আথ্যায়িত করে। এমনকি তাদেরকে ভিন্ন গ্রহ বা জগতের মানুষ মনে করে পরিবার-সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে এবং সংস্পর্শ ত্যাগ করে। ফলশ্রুতিতে কিছু প্রতিভাবান বা প্রগতিশীল ধ্যান থারণার জনগোষ্ঠির ভালো মানুষ সমাজের এসব অসামাজিক ও রীতিবিরুদ্ধ কার্যক্রম এবং সামাজিক নিগ্রহের জ্বালা-যন্ত্রণা মেনে নিতে পারেনা বলে তারা মানসিক অসুস্থ হয়ে ওই পরিবার বা সমাজে মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে পরিগনিত হয়। আমরা সমাজের সভ্য মানুষগুলোই এই মানসিক প্রতিবন্ধিতার জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী।

আমাদের পারিপাশ্বিক চারপাশের জগৎ তথা পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে চিরতরে মানসিক প্রতিবন্ধিতা নির্মূল করতে গেলে মনুষ্য সম্প্রদায়ের যুগযুগ ধরে বংশ পরাস্পরায় লালিত প্রথা রীতি-নীতি ও বিশ্বাসের আধুনিকায়ন ও ভাবধারাসহ সকল নিয়মনীতি এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। মানুষ মানুষের সাথে যদি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান এবং ভালো কাজের মূল্যায়নের স্বীকৃতিসহ সকলকে সমান সুযোগ ও অথিকার দিতে পারলে মানসিক প্রতিবন্ধিতা দূর করা শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার। আমাদের মানুষদেরকে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ ও বিশ্বাস-ভালোবাসা এবং আগ্রহের উর্ধে চিন্তা করে সকলের সার্থে সমানভাবে ভাবতে হবে। আমাদের চারপাপশে যে সব পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি রয়েছে তাদের প্রতি আমাদের স্বাভাবিক ও সভ্য মানুষদের আরো বেশি পরিমান সংবেদনশীল ও মানবিক হতে হবে। তাদের প্রতিটি কার্যক্রমে সচেতন ও স্বীকৃতি এবং কার্যক্রম ও অবদানের প্রতি সম্মান-মর্যাদা দিয়ে সমাজের সকল স্তরের সাথে অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মানসিক প্রতিবন্ধিতা কিন্তু কোন রোগ নয়। আমরা তাদেরকে রোগী মনে করে আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক পরিমন্ডল থেকে তাদের আলাদা করে রেখে বঞ্চিত করছি মাত্র। তাদেরকে অন্য সকলের মতো উপযুক্ত ভালোবাসা দিয়ে এবং সকলের সাথে মিলেমিশে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে তাদের অধিকারের সুরক্ষা করতে হবে। তবেই বোধ হয় আমরা এ সমাজ ধেকে চিরতরে এমন ভয়াবহ প্রতিবন্ধিতা নির্মূল করে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী সমাজ বিনির্মাণ করতে পারবো।

——————

ম্যাকি ওয়াদুদ

লেখক ও বাচিক শিল্পী

(Visited 6 times, 1 visits today)

Mackey Wadud

Author: Mackey Wadud

আরো লেখা খুঁজুন

Related Posts

বিশ্ব পুরুষ দিবস

বিশ্ব পুরুষ দিবস সফল হোক

বিশ্ব পুরুষ দিবস হিসেবে ১৯ নভেম্বর পৃথিবীর ৪৭টিরও বেশী দেশে পালিত হয়। নারীবাদিদের কথা আমাদের দেশে শোনা যায়, কিন্তু পুরুষবাদিদের
কোরআন অনুবাদের ইতিহাস

গিরিশচন্দ্র সেন বিতর্ক

পবিত্র কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ করেছিলেন ভাই গিরিশচন্দ্র সেন- এই তথ্যটি আমাদের সবার জানা। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে প্রথম অনুবাদক
বাংলাদেশের কৃষক

সফল চাষীর গল্প

"আমি উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখি"-এধরনের কথা সচরাচর শোনা যায়। কিন্তু অনেক সময় শব্দটার গুরুত্ব না বুঝেই তা বলে ফেলে অনেকে।উদ্যোক্তারা
একজন সফল উদ্যোক্তার সাফল্য গাঁথা

একজন সফল উদ্যোক্তার সাফল্য গাঁথা

গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে ভাবতে পারার সাহস সবার থাকে না, সবাই পারেনা উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। উদ্যোক্তা হওয়া

Leave a Reply