বাবা অনেক দূর

0বাবার কথা পড়লে মনে হৃদয় কেঁদে ওঠে, বাবার স্মৃতি দারুণ ভাবে আছে হৃদয় গোঠে। আমায় নিয়ে রঙিন স্বপ্ন দেখতো বাবা কত, সাহস শক্তি যোগায় বাবা ভরসা দিতো তত। আমায় ছেড়ে হঠাৎ করে গেলো অচিনপুরে, সকল সময় হৃদয় কাঁদে বাবা অনেক দূরে। দুঃখের সময় পার করে আজ এলো সুখের দিন, হলাম তখন এই ধরাতে আজি পিতৃহীন!

মাজার ও মানবতা

0  বাইরে বৃষ্টির ভাব। মনে হচ্ছিল, এখনই অঝোরে বৃষ্টি নামবে। কিন্তু কিছু করার নেই — আমাকে বের হতেই হবে। রোগী দেখতে এসেছি; কাজেই কারও বাড়িতে থেকে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। চারদিক অন্ধকারময়, মেঘলা আকাশ আর বাতাসে গাছপালার দোল — এক অপার্থিব প্রশান্তি! এমন আবহাওয়ায় রাস্তা দিয়ে হাঁটার আনন্দই আলাদা। আমি এসেছি একজন গুরুতর রোগী দেখতে

গল্প ডিভোর্স মেয়ে আফছানা খানম অথৈ

0গল্প ডিভোর্সি মেয়ে আফছানা খানম অথৈ তানহার বিয়ে হতে না হতে ডিভোর্স হয়ে যায়।শিক্ষিত সুন্দরী চাকরীজীবি তবুও সংসার টিকাতে পারলো না।ভেঙ্গে গেল।একমাত্র মেয়ে বাবা-মায়ের আদর আহলাদে বড়।তাই শ্বশুর বাড়ির লোকজনের কটু কথা একটু ও সহ্য করতে পারলো না।যত আদরের মেয়ে হোক শ্বশুর বাড়ির লোকজনের চোখে সে বউ। তাকে একটু কটু কথা শুনতে হয়।প্রতিবাদ করা যায়

কবিতা পলাশ সাহার মৃত্যু আফছানা খানম অথৈ

0#কবিতা পলাশ সাহার মৃত্যু আফছানা খানম অথৈ পলাশ সাহার জীবনে এসেছিল এক রমনী বিবাহ বন্ধনের মাধ্যমে হলো সে ঘরনী। প্রথম কদিন ভালো কাটলেও পরে বাঁধে গন্ডোগোল বউ শ্বাশুড়ির মাঝে চলে রীতিমতো হট্টগোল। বউ মানে না শ্বাশুড়িকে করে সদা ঝগড়া পলাশ সাহা কিছু বললে ছুড়ে মারে মগড়া। যতই বুঝাই বুঝ মানে না বাড়ে আরও তিক্ততা শ্বাশুড়িকে

বিদেশে রয় বেশ

0রাজনীতির ঐ লাভটা ভেবে দলে দিচ্ছে যোগ, টাকা কামায় রাজার বেশে করবে নাকি ভোগ। হঠাৎ করেই দালান কোঠা গড়তে যারা চায়, রাজনীতিতে নামটা লিখে ফায়দা লুটে খায়। মানব সেবার অভয় দিয়ে সাংসদ নেতা হয়, দুর্নীতিটা করতে নেতায় অধীর হয়ে রয়। বাজেট টাকায় জনের জন্য করে টুকটাক কাজ, অর্ধেক টাকা পাচার করে করছে জীবন রাজ। লন্ডন

চাষি আমি ভাই

0গাঁয়ের চাষি খেত খামারে ফসল বুনি রোজ, ফসল ফলায় নিত্যদিনে অন্নের করি খোঁজ। পাড়াগাঁয়ের খেটে খাওয়া চাষি আমি ভাই, খেত খামারে ফসল বুনে শান্তি খুঁজে পাই। শহর থেকে অনেক দূরে পল্লীতে মোর বাস, ফসল বুনার চাষাবাদে কাঁটে বারো মাস। শহরের ওই বাবুর মতো আরাম নাহি খুঁজি, গায়ের ঘামে চাষাবাদে ঘরে উঠাই রুজি। ফসল দেখে অপার

আনমনে বললে তুমি

0আমায় তুমি দেখলে নাকি বহু বছর পরে, লিখতে গিয়ে আমায় নিয়ে অশ্রুবারি ঝরে। দুখের চিহ্ন পাওনি খুঁজে আমার চোখে মুখে, ভাবলে তুমি অনেক সুখি দুঃখ নেইতো বুকে। তোমার কাছে দুঃখ মানেই খোঁচা খোঁচা দাড়ি, এলোমেলো ঝাঁকড়া চুলে থাকবে মনটা ভারি। কাব্য কথায় পাঠক মাঝে সাজো অনেক দুখি, তোমায় দেখে বুঝতে পারি তুমি অনেক সুখি। সুখের

আমরা শ্রমিক

0আমরা শ্রমিক কায়িক শ্রমে নগরায়ন গড়ি, শোষণ পীড়ন রোষানলে বহে জীবন তরী। কঠোর শ্রমে বিশাল প্রাসাদ ঘর্মাক্ত হাত গড়া, ঠাট্টা বিদ্রূপ পরিহাসে মোদের জীবন ভরা। ক্ষুধার জ্বালায় গাধার খাটনি অবিরাম যে চলে, ঘৃণার চোখে আমায় দেখে কটুকথা…….বলে। কঠিন তাপে কামলা খেটে যাচ্ছে জীবন ক্ষয়ে, ধনীর নীড়ে আরাম দায়ক এসির বাতাস বয়ে, শ্রমের ন্যায্য পাওনা আদায়

বিক্ষিপ্ত মনের কথা

0মনে আছে ? খেলার ছলে ডাকলি কাছে ধরে ছিলি হাত জানি সবই মিথ্যে —ছিল হয়তো ক্ষণিক সাধ। বুঝতে পারি, সময় এখন ভীষণ কঠিন চোখে লাগে ঘোর জানি একদিন আমার মতো ভাঙবে ভুলও তোর । জানি জানি আমি যে তোর নইতো কিছু তবু পোড়ে মন তোর জীবনে হয়তো আমার নাইতো প্রয়োজন । বললি সেদিন দেখা হবে

দারিদ্র্যতা

0হাজার ব্যথা বুকের মাঝে নিত্য দিনে কাঁদি, গভীর রাতে হৃদয়-কোণে অশ্রূ আমি বাঁধি। আনন্দ নেই বিষাদ ভরা ছিলো হৃদয় ব্যাপী, মলিন মুখে শারীরিক সেই দারিদ্রতা মাপি। ক্ষুধার জ্বালায় দিশাহারা ছিলাম সর্ব ক্ষণে, অভাব অনটনে শান্তি পাইনি কভু মনে। ক্ষুধার জ্বালায় কাতর আকুল বিলোপ নাশে কায়া, কষ্টের কথা ভাবতে মনে লাগে ভীষণ মায়া। জীবন আর্থিক অনটনে