হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন রাসূল ﷺ এর চাচাতো ভাই ও জামাতা, সাহসী যোদ্ধা, ন্যায়পরায়ণ খলিফা ও জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব। তিনি বহু যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ইসলাম প্রসারে অবদান রাখেন এবং ৪০ হিজরিতে শাহাদাত বরণ করেন।
Category: ইসলাম ধর্ম
0ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খলিফা ওমর বিন আবদুল আজিজ একটি যুদ্ধের প্রাক্কালে তার সেনাপতি মানসুর বিন গালিবের উদ্দেশ্যে একটি উপদেশপূর্ণ চিঠি প্রেরণ করেন। এ চিঠিটি কেবল একজন খলিফার নির্দেশনা নয়, বরং তা ছিল একটি জাতির আত্মিক জাগরণ ও ইমানি চেতনার দীপ্ত দলিল। প্রখ্যাত আলেম ও সাহিত্যিক সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী তার ‘মুখতারাত মিন আদাবিল
0আল কোরআনের প্রতীক আফছানা খানম অথৈ মা আমেনার গর্ভেতে জন্ম নিলো এক মহামানবের, নাম হলো তার মুহাম্মদ রাসুল আসলো ভবের দুনিয়াতে, দ্বীনের আলো কলেমার দাওয়াত দিলেন সবার মাঝেতে। কলেমা সত্য ইসলাম সত্য সত্য আল কোরআন, দ্বীনের পথে এসো হে মুমিন মুসলমান। মূর্তিপূজা শিরকপূজা সবই ইসলাম পরিপন্থী, এসব বেদাত মানবে যারা জাহান্নামী হবে তারা। এক আল্লাহ
0ফোরাত নদীতে স্বর্নের পাহাড় আফছানা খানম অথৈ ইমাম মাহাদী (আ:) আগমনের পূর্বে ফোরাত নদীর তীরে স্বর্নের পাহাড় ভেসে উঠা কেয়ামতের অন্যতম আলামত।বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের মধ্যে সম্পদের লোভ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।তাই আল্লাহতায়ালা কিছু লোভী প্রকৃতির মানুষকে ফোরাত নদীর তীরে স্বর্নের পাহাড় প্রকাশ করে পৃথিবীর থেকে নির্মূল করে দিবেন।মুলত এই আলামতটি আমাদের একেবারে নিকটবর্তী।কিন্তু আমাদের
0দাজ্জাল আফছানা খানম অথৈ কেয়ামতের পূর্বে দাজ্জাল আসবে নিজেকে খোদা বলে দাবি করবে, কাফের মুনাফিক যাবে তার দলে ঈমানদার মুমিন মুখ ফিরিয়ে নেবে। দাজ্জালের থাকবে এক চোখ কপালে থাকবে কাফের লেখা, ক্ষমতা থাকবে ব্যাপক দেখাবে কিছু আজব খেলা। মৃতকে জীবিত করবে জীবিতকে করবে মৃত অভাবীকে রিযিক দেবে কিছু সময়ের জন্য। ঈমানদারের ইমান নেবে বানাবে তার
0জন্ম:হযরত মুহাম্মদ (সা:) বর্তমান সৌদি আরবে অবস্থিত মক্কা নগরীর কুরাইশ গোত্রে বনি হাশিম বংশে ৫৭০ খৃষ্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।তার পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম আমেনা।জন্মের পূর্বে মুহাম্মদ (সা:) পিতাকে হারান।ছয় বছর বয়সে মা আমেনাকে ও আট বছর বয়সে দাদাকে হারান।তারপর মুহাম্মদ (সা;) এর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন চাচা আবু তালেব। শৈশব ও কৈশর: তৎকালীন আরবের
0কোরআনের শাসন আফছানা খানম অথৈ সত্যিকারের ভালো মানুষ নেই জগতে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে মনুষ্যত্ব। লোপ পেয়েছে মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক বিলীন হয়ে যাচ্ছে মানবতা, ধ্বংস হচ্ছে দেশ ও জাতি। হে বিদ্রোহী জনতা রুখে দাঁড়াও প্রতিবাদ কর সকল অন্যায়ের, সত্যের জয় হবে ইনশাআল্লাহ। মানবতা মার খেয়েছে বারে বারে অসভ্যতা শিকড় গেড়েছে সর্বস্তরে। হে মুসলিম
0ইসলামের জীবন বিধান দর্শন জ্ঞান-(এক) ইসলামী জীবন বিধানের মূল কন্ঠস্বর হলো কোরআনের জ্ঞান দর্শণ ও আহলে বাইত প্রেম দর্শণ এবং এর যুগপৎ মিলন, যা নবী (সাঃ) কর্তৃক প্রদত্ত বিদায় হজ্জ্ব ভাষণের মূলভাব বাস্তবায়ন। উক্ত ভাষণে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, সত্য-সঠিক পথ সিরাতাল মুস্তাকিমে থাকার এবং পথভ্রষ্ট না হওয়ার একমাত্র উপায় হলো- কোরআনের জ্ঞানার্জন প্রেম
1যিনি শিক্ষাগ্রহণ করেন তিনি ছাত্র এবং যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি শিক্ষক। আর তাদের মধ্যকার সম্পর্কই ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক। এ সম্পর্ক হচ্ছে অতি পবিত্র, আত্মিক, মধুর যার মূলভিত্তি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আদি শিক্ষক হলেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। তাই ফেরেশতারা বলেছিলেন; আপনার সত্তাই পবিত্র। আপনি আমাদেরকে যতটুকু জ্ঞান দিয়েছেন, তার বাইরে আমরা কিছুই জানি না।(সুরা-বাকারা, আয়াত: ৩২)। আমাদের
2পরোপকার একটি মহৎ গুণ। এটি প্রিয় নবী (সা.) এর সুমহান আদর্শ, খাঁটি মোমিন-মুসলমানের পরিচয়। মহান আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘আমার ইবাদতের জন্যই আমি মানুষ ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।’ (সূরা জারিয়াত : ৫৬)। ইবাদত শুধু নামাজ, রোজা, হজ, জাকাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করা মোমিন বান্দার সব কাজই ইবাদত।