বিশ্বের সেরা কিছু মুসলিম আবিষ্কারক

play icon Listen to this article
0

বিশ্বের সেরা কিছু মুসলিম আবিষ্কারক

শুধু খ্রিস্টান বা বিধর্মীরাই জ্ঞান -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎতে এগিয়ে আছে এমন ভুল ধারণা আমাদের মতো অধিকাংশ মানুষেরই রয়েছে। যুগ যুগ ধরে খ্রিস্টান বা বিধর্মী বিজ্ঞানী, চিকিৎসক,আবিষ্কারক ও বিশেষজ্ঞদের নাম-জীবনকথা এবং ইতিহাস জেনে আসছি৷ অথচ জ্ঞান -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায় মুসলমানগণ সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এ প্রচেষ্টা ও অবদানের উপর ভিত্তি করে মুসলমানগণ একসময়ে সারা বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আধুনিক যুগের জ্ঞান -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অনেক শাখা মুসলমানদের জ্ঞান -বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিরই ফসল। তা বহু ইতিহাস সাক্ষী। কিন্তু বর্তমান যুগে এ কথা না জানা শত শত মানুষ সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে।

আজ আমরা জানবো যুগে যুগে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান কত! পরিচয় করিয়ে দিবো পুরো দুনিয়া কাঁপানো কিছু মুসলিম বিজ্ঞানীদের।

আল রাযি ( জন্ম ৮৬৫ খ্রি.- মৃত্যু ৯২৫ খ্রি.)

সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও শল্যচিকিৎসাবিদ ছিলেন তিনি ।তিনি ইরানের তেহরানে জন্মগ্রহন করেন। তার পুরো নাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে যাকারিয়া আল রাযি,পিতার নাম যাকারিয়া।

তার লিখিত চিকিৎসাবিজ্ঞান, অ্যালকেমি, পদার্থবিজ্ঞান এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর ১৮৪টার বেশি বই রয়েছে। তন্মধ্যে শতাধিক হলো চিকিৎসা গবেষণা বিষয়ক।
তিনি জুন্দেরশাহপুর ও বাগদাদে সরকারি চিকিৎসালয়ে দীর্ঘ দিন যাপদ অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চিকিৎসা বিদ্যার উপর কঠোর শ্রম দেওয়ায় তৎকালে আল রাযির সুনাম – সুখ্যাতি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে পশ্চিম এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপ থেকে বহু রোগী তার নিকট ছুটে আসতেন। তিনি সালফিউরিক এসিড (ঐ ২ ঝ ঙ ৪) আবিষ্কার করেন। ইথানল উৎপাদন বিশোধন ও চিকিৎসায় এর ব্যবহার প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন।

জাবির ইবনে হাইয়ান (জন্ম ৭২২ খ্রিঃ – মৃত্যু ৮১৫ খ্রিঃ)

তিনি হলেন একজন বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী, বর্তমান রসায়ন বিজ্ঞানের জন্মদাতা ; নাইট্রিক ও সালফিউরিক এসিডের সর্বপ্রথম আবিষ্কারক এবং অংকশাস্ত্রবিদ। পুরা নাম আবু যাকারিয়া ইবনে হাইয়ান। দক্ষিণ আরবের আযাদ বংশে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতা হাইয়ানও একজন চিকিৎসক ছিলেন।

গণিতশাস্ত্রে শিক্ষা লাভ শেষে তিনি চিকিৎসাশাস্ত্র শিক্ষা লাভ করেন। তিনি কুফায় চিকিৎসা জীবন শুরু করলেও এর মধ্যে তিনি রসায়নশাস্ত্রের উচ্চতর জ্ঞান অর্জন করেন। কুফায় একটি বিজ্ঞানাগার প্রতিষ্ঠা করে সেখানেই মৃত্যু পর্যন্ত (৮০৪ খ্রি.) গবেষণারত ছিলেন। রসায়নকে তিনিই সর্বপ্রথম বিজ্ঞানের একটি স্বয়ংসম্পূর্ন শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। রসায়ন ও বিজ্ঞান কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র যথা পরিস্রবণ, দ্রবন, ভীস্মকরণ, বাষ্পীকরণ,গলানো প্রভৃতি তারাই আবিষ্কার। জাবির ইবনে হাইয়ান রসায়নশাস্ত্রের পরিপূর্ণতা দান করেছেন বিধায় তাকে এ শাস্ত্রের ‘জনক’ বলা হয়।

এছাড়াও রসায়নশাস্ত্রের পাশাপাশি তিনি চিকিৎসা, খনিজ পদার্থ, দর্শন, যুদ্ধবিদ্যা, জ্যামিতি,জ্যেতি বিজ্ঞান প্রভৃতি শাখায় তিনি অবদান রাখেন৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানে পাঁচশত সহ প্রায়ই দুই হাজার বই রচনা করেন এই মনিষী।

ওমর খৈয়াম ( জন্ম ১০৪৮খ্রি. – মৃত্যু ১১২২খ্রি.)

অ্যানলিক্যাল জ্যামিতির মহা নায়ক বলা হয় তাকে। তিনি পারস্যে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম ওমর ইবনে ইবরাহিম আল খৈয়াম।

জীবদ্দশায় ওমর খৈয়ামের খ্যাতি ছিল গণিতবিদ হিসেবে। তিনি প্রথম উপবৃত্ত ও বৃত্তের ছেদকের সাহায্য ত্রিঘাত সমীকরণের সমাধান করেন। ১৭৭০ খ্রি. তার পুস্তক ‘ মাকালাত ফি’ আল জার্ব আল মুকাবিলা প্রকাশিত হয়। এ পুস্তকে তিনি দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধানের নিয়মাবলি লিপিবদ্ধ করেন।

ইবনে সিনা ( জন্ম ৯৮০ খ্রি.- মৃত্যু ১০৩৭ খ্রি.)

তিনি একাধারে দার্শনিক, চিকিৎসক, গনিতজ্ঞ, জ্যেতির্বিদ এবং মুসলিম জগতের একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও সর্ববিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি বুখারার নিকটর্বতী আফশানা নামক গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পুরো নাম আবু আলি আল হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ মাসউদ ইবনে সিনা।

মাত্র দশ বছর বয়সে পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পূর্ণ করেন। চিকিৎসায় তার অসাধারণ অবদানের জন্য তাকে আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্র ও চিকিৎসা প্রনালি এবং শল্যচিকিৎসার গুরু মনে করা হয়। তিনি ১৬ বছর বয়সে জ্ঞানী গুনে, চিকিৎসক ও মনীষীদের পড়িয়েছেন। ফলে বুঝা যায় তিনি ছিলেন সে সময়কার বড় চিকিৎসক। কথিত আছে ইআনে সিনা যখন ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়তেন তখন অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর মাথায় স্বপ্নের মতো ভাসতো। তার জ্ঞানের দরজা খুলে যেতো। বিখ্যাত চিকিৎসক হিসেবে সর্বত্র তার ছড়িয়ে পড়ে।

তার রচিত অসংখ্য গ্রন্থ রয়েছে। তবে চিকিৎসাশাস্ত্রের ‘ আল-কানুন ফিত-তিবব’ একটি অমর গ্রন্থ। মজার বিষয় হলো, ড. ওসলার এ গ্রন্থটিকে চিকিৎসাশাস্ত্রের বইবেল বলে উল্লেখ করেন। চিকিৎসাশাস্ত্রের এর সমপর্যায়ের কোনো গ্রন্থ আজও দেখা দেয় নি।

আল বিরুনি (জন্ম ৯৭৩ খ্রি. -মৃত্যু ১০৪৮ খ্রি.)

যিনি ছিলেন বিশ্বের সেরা ভূ-গোলবিদ৷ তিনি খাওয়ারিযমের নিকটবর্তী আল বিরুন নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো বুরহানুল হক রায়হান মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল বিরুনি।

২০ বছর বয়সে তিনি জ্ঞান অর্জনের জন্য সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেন। আল বিরুনি ভু- বিদ্যার একজন পথ প্রদর্শক। তিনি শতাধিক বিভিন্ন প্রকার ধাতু ও রত্নপাথর সংগ্রহ করে সেগুলো পরীক্ষা করেন। তার লিখিত অনেক গ্রন্থ রয়েছে। তন্মধ্যে ‘ আল -আছারুল বাকিয়্যাহ – আনিল কুরুনিল খালিয়্যাহ ‘ গ্রন্থটি প্রসিদ্ধ। তিনি প্রথম প্রমান করলেন যে, পৃথিবী গোলাকার।পৃথিবী কীভাবে এর কক্ষ হতে ঘুর্নয়মান তারও প্রমান দেন।

আল ফারাবি ( জন্ম ৮৭০ খ্রি. – মৃত্যু ৯৫০ খ্রি.)

মুসলিম বিজ্ঞানী ও জগৎ বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন এই মহা মনিষী। তার পুরো নাম আবু নাসের মুহাম্মদ ইবনুল ফারাখ আল ফারাবি।

তিনি জ্ঞান আহরনে দামেস্ক সহ বিশ্বের অনেক দেশ ভ্রমণ করেন। এবং নিজেকে বহু মুখী বিদ্যায় সমৃদ্ধ করে তোলেন। পদার্থ বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, দর্শন, যুক্তিশাস্ত্র, গনিতশাস্ত্র, চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রভৃতিতে আল ফারাবীর অবদান অবিস্মরণীয়। তবে বিজ্ঞান ও দর্শনে তার অবদান সবচেয়ে বেশি এ জন্যই তিনি সুপ্রসিদ্ধ।

পদার্থ বিদ্যায় তিনিই ‘শূন্যতা’র অবস্থান প্রমাণ করেন। দর্শনে আল ফারাবী ছিলেন দার্শনিক প্লেটোর পর্যায়ের। আল ফারাবির অবদানের জন্য তাকে দ্বিতীয় এ্যারিস্টটোর এবং আল মুআললিমুস সানী বা দ্বিতীয় শিক্ষক বলা হয়।

আল -খাওয়ারেযমি ( জন্ম ৭৮০ খ্রি. – মৃত্যু ৮৫০ খ্রি.)

তিনি গনিতশাস্ত্রের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ব্যক্তি। তাকে গণিতশাস্ত্রের ‘জনক’ বলা হয়। বীজগণিতের আবিষ্কারক হলেন তিনি। তার পুরো নাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল – খাওয়ারেযমি। তিনি মধ্যে এশিয়ার খাওয়ারেযম নামক স্থানে জন্মগ্রহন করেন। ‘ আল জাবর ওয়াল মুকাবিলা ‘ বই থেকে জানা যায় তিনি ছিলেন একজন নিষ্ঠ মুসলিম।

তিনি জগৎ বিখ্যাত গণিতবিদ হওয়ার কারণে তার যামানায় গনিতশাস্ত্রের অনেক উন্নতি হয়। ভুগোল বিষয়ে ছিলো আল- খাওয়ারেযমির বিরাট অবদান। তিনি তার প্রথম একটি বইয়ে আল জেবরার নাম উল্লেখ্য করেন। তার এ বইটির নাম হলো ‘ জাবের ওয়াল মুকাবিলা ‘। পাটিগনিত বিষয়ে তিনি একটা বই রচনা করে জাপানের লেটিন ভাষায় অনূদিত হয়।

বর্তমান যুগ পর্যন্ত গনিতে যে উন্নতি হয়েছে তা সব আল খাওয়ারেযমিরই অবদান। তার রচিত বই ‘ আল জাবের ওয়াল মুকাবিলা ‘ থেকে বীজগণিতের ইংরেজি নাম অ্যাল জেবরা উৎপত্তি লাভ করে।

আল বাত্তানি ( জন্ম ৮৫৮ খ্রি. – মৃত্যু ৯২৯ খ্রি.)

তিনি ছিলেন একজন আরব জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গনিতবিদ । মেসোপটেমিয়ার অন্তর্গত বাত্তান নামক স্থানে আল বাত্তানি জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম জাবির ইবনে সিনান আল বাত্তানি।

তিনিই সর্বপ্রথম নির্ভুল পরিমাপ করে দেখিয়ে ছিলেন যে এক সৌর বছরে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড হয়। তিনি প্রমান করে দেখিয়েছেন যে সূর্যের আপাত ব্যাসার্ধ বাড়ে ও কমে। সূর্য ও চন্দ্রগ্রহন সমন্ধেও তার বক্তব্য ছিল সুস্পষ্ট। আল বাত্তানি তার নিজস্ব উদ্ভাবিত যন্ত্র দিয়ে প্রমান করে দিলেন যে সূর্য তার নিজস্ব কক্ষপথে গতিশীল।

ইবনে হাইসাম ( জন্ম ৯৬৫ খ্রি. – মৃত্যু ১০৪৪ খ্রি.)

একজন চক্ষুবিজ্ঞানী ( Optic scientist) ছিলেন এই মনিষী৷ তার পুরো নাম হাসান ইবনে হাইসাম।

দর্শন, জ্যোর্তিবিদ্যা, চিকিৎসাশাস্ত্র, গনিত প্রভৃতি বিষয়ে তিনি শতাধিক গ্রন্থ রচনা করেন।মধ্যযুগে আলোক চক্ষুবিজ্ঞান বিষয়ক মৌলিক গ্রন্থ ‘ কিতাবুল মানাযির’ তাঁকে ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। তিনি দৃষ্টি শক্তির প্রতিসরণ ও প্রতিফলন বিষয়ে গ্রিকদের ভুল ধারণা খন্ডন করেন। তিনি প্রমান করে দেখিয়েছেন যে, বাহ্যপদার্থ থেকেই আমাদের চোখে আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হয়। চোখ থেকে বের হওয়া আলো বাহ্যপদার্থকে দৃষ্টিগোচর করায় না। তিনিই ম্যাগনিফাইং গ্লাস আবিষ্কার করেন।

আল- কিন্দি ( জন্ম ৮০১ খ্রি. – মৃত্যু ৮৭৪ খ্রি.)

তিনি নিউপ্লেটোনিজমের উদ্ভাবক ছিলেন। আল কিন্দিই সর্বপ্রথম প্লেটো ও এরিস্টটলের মতবাদ সমন্বয় করার চেষ্টা করেন। তিনি কুফা নগরীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পুরো নাম আবু ইয়াকুব ইছহাক আল কিন্দি। তাঁর পিতা ইসহাক খলিফা মামুনের শাসনামলে কুফার গভর্নর ছিলেন।

খলিফা মামুনের সময়ে জ্যোতির্বিদ, রসায়নবিদ, চিকিৎসক ও দার্শনিক হিসেবে তার সুনাম চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি অনধিক ৩৬৫ টি গ্রন্থ রচনা করে জ্ঞান – বিজ্ঞানের পরিপূর্ণতার আলো জ্বালিয়ে দেন৷ তাঁর মতে গনিত ছাড়া দর্শনশাস্ত্র অসম্ভব। দর্শন ছাড়া তিনি চিকিৎসাশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা, রসায়ন,গনিত ও সংগীত বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি মাতৃভাষা ছাড়াও পাহলবি, সংস্কৃত, গ্রিক ও সিরীয় ভাষার সুপণ্ডিত ছিলেন।

তাহলে ইতিহাস ঘেটে দেখা গেলো যে বিজ্ঞানী বলতে কেবল খ্রিস্টান বা বিধর্মীরা নয়। জ্ঞান – বিজ্ঞানে আমাদের মুসলিম মনিষীদের অবদানের কোনো সীমা নেই। অথচ বর্তমানে কিছু বিজ্ঞানমনস্ক মানুষরা তাদের ইতিহাস বলতে চায় না। তারা শুধু খ্রিস্টান বা বিধর্মীকেই বড় বিজ্ঞানী মনে করে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কিছু। এদের ছাড়াও আরো অনেক মুসলিম বিজ্ঞানী আছে যাদের ইতিহাস আমরা জানি না। সবশেষে এক কথা বলতেই হয়, জ্ঞান – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মুসলিমদের অবদানের কোনো শেষ নেই।

0

ahmad ullah

Author: ahmad ullah

Related Posts

কীভাবে আল্লাহর তাওহিদ ক্ষুন্ন হয়

তাওহিদ কী? কীভাবে আল্লাহর তাওহিদ ক্ষুন্ন হয়

তাওহিদ কী? কীভাবে আল্লাহর তাওহিদ ক্ষুন্ন হয়   ইসলামই একমাত্র ওহি বিশিষ্ট ধর্ম, যেখানে আল্লাহ তাঁর সমস্ত গুণাবলীর সাথে কাউকে
পরিপূর্ণ ঈমানের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

ঈমান কী, পরিপূর্ণ ঈমানের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

ঈমান কী, পরিপূর্ণ ঈমানের বিস্তারিত ব্যাখ্য ইসলাম হচ্ছে আল্লাহর পূর্ণ বিধানে আনুগত্য করা। এই পরিপূর্ণ বিধানকে  মুখে স্বীকৃতি, অন্তরে বিশ্বাস

আল্লাহর কাছে যারা সফল

আল্লাহ জ্বীন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য। এই ইবাদতের দ্বারা তিনি দেখতে চান কারা কারা সত্যিকারের বিশ্বাসী, 

শিরক কী, মানুষ কীভাবে শিরক করে

শিরক কী, মানুষ কীভাবে শিরক করে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেখানে স্রষ্টা অর্থাৎ  আল্লাহ তার কোনো ক্ষমতাতেই কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করেননি।

Leave a Reply