চিকেন ফ্রাই রেসিপি

চিকেন ফ্রাই বাসায় তৈরি করার রেসিপি

0
চিকেন ফ্রাই তৈরির জন্য প্রথমেই রেসিপিটি পড়ে নিন।  আপনারা চাইলে ফার্মের মুরগী ব্যবহার করতে পারেন, আবার দেশী মুরগীও ব্যবহার করতে পারেন।
আশা করছি এই রেসিপি অনুসরণ করে সহজে তৈরি করা যায় এবং খুব সুস্বাদু একটি খাবার ঘরেই তৈরি করে নিতে পারবেন।
 
(আমরা  ১/২ কেজি মাংসের জন্য বলছি, আপনি চাইলে কম বা, বেশী দিয়ে তৈরি করতে পারেন)
পারফেক্ট, ক্রিসপি বা, মুচমুচে চিকেন  ফ্রাই তৈরি করার জন্য আপনাকে প্র্যাকটিস করতে হবে। প্রথমবার কি ভুল করেছেন সেটি খুজে বের করে দ্বিতীয়বার এড়িয়ে চলতে হবে।  উপরের ছবি বা, পিকচার দেখুন-দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে।

তৈরির উপকরণ

পছন্দমত পানি ঝরানো মুরগীর মাংসের পিস,  ২ টেবিল চামচ সয়া সস, হাফ চা চামচ গোল মরিচের গুড়া, ১ চা চামচ আদা বাটা, দেড় চা চামচ রসুন বাটা, লাল মরিচের গুড়ো পরিমাণমতো, ১ টি ডিম। ১/২ কাপ তরল দুধ এবং ১ কাপ কর্ণফ্লেক্স গুড়া যোগ করলে স্বাদ বাড়বে, তবে এই দুটি উপাদান ছাড়াও তৈরি করা যায় এবং সেটাও কম সুস্বাদু না।  
কোন উপাদান কি পরিমাণে লাগবে সেটা একজন অভিজ্ঞ রাধুনীই ভালো বলতে পারবে, কয়েকবার তৈরি করলে আপনিও বুঝতে পারবেন। এবং সেরা কম্বিনেশন খুজে পাবেন। 
Mukti’s Cooking World এর  ভিডিওতে দেখুন(ভিডিওতে দেখানো রেসিপিতে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে, যেকোন একটি অনুসরণ করলেই হবে)-

১০ মিনিটের এই ভিডিওতেও খুব সহজ একটি রেসিপি দেখানো হয়েছে যা আপনারা যে কেউ অনুসরণ করলে চিকেন ফ্রাই তৈরি করতে পারবেন। একটি কথা মনে রাখবেন, মাংসটা ভালোভাবে ভাজা না হলে কাচা থাকতে পারে, তাই ১২-১৫ মিনিটের কম সময়ে তৈরি করার চেষ্টা করবেন না।
একাধিক পদ্ধতি ট্রাই করে,  সেরা রেসিপি খুজে নিতে পারেন। এরপর থেকে সেরকমই করবেন, তাহলে সবচেয়ে সুস্বাদু হবে। 

চিকেন ফ্রাই রেসিপি 

প্রথমেই মুরগীর মাংস, সয়া সস, গোল মরিচের গুড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচের গুড়া এবং প্রয়োজনমত লবণ দিয়ে মেখে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। 
এবারে, আলাদা একটি পাত্রে ১/২ কাপ ময়দা নিয়ে তাতে সামান্য লবণ মিশিয়ে রেখে দিন, কর্ণফ্লেক্স গুড়াও আলাদা পাত্রে রাখুন।

এবারে ডিম আর, দুধ(ব্যবহার না করলেও চলবে) ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। প্রথমে মেরিনেট করা মুরগীর মাংস এই দুধ ডিমের মিশ্রণের সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। 

ফ্রাই প্যান/ কড়াইতে গরম করা ডুবো তেলে ঐ মুরগীর মাংস ময়দার গুড়ো আর কর্ণফ্লেক্সে গড়িয়ে নিয়ে ছেড়ে দিন। হালকা বাদামী রঙের হলে হয়ে গেল আপনার ফ্রাই- দুঃখিত, চিকেন ফ্রাই।  

পরিবেশনঃ 
আমি সস দিয়ে খেতে পছন্দ করি, আপনি চাইলে চাটনি দিয়েও খেতে পারেন। অতিথি আপ্যায়নের সময় প্লেটে চিকেন ফ্রাই এর পাশে একটা লেটুস পাতা দিয়ে দিতে পারেন। বুঝতেই পারছেন, আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী। এই ছিলো চিকেন ফ্রাই রেসিপি। 

আরো পড়ুন-

 

photographer: Marco Verch Professional Photographer and Speaker
Photo copyright:  Some rights reserved

0

Related Posts

কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা

কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

আমাদের রান্নাঘরে অতি মিষ্টি জাতীয় একটি খাবার হচ্ছে কিশমিশ। মিষ্টি জাতীয় খাবারে কিশমিশ একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি কি জানেন কিশমিশ
চিনির উপকারিতা

চিনির উপকারিতা ও অপকারিতা

ভোজন রসিক বাঙ্গালীর কাছে মিষ্টি জাতীয় খাবার অত্যন্ত প্রিয়। সন্দেশ, দই, রসমালাই, বিভিন্ন কোল্ড ড্রিংক, পায়েস ইত্যাদি পেলে বাঙালিকে আর
বেলের উপকারিতা

বেলের উপকারিতা ও অপকারিতা

বেল একটি খুবই সাধারণ ফল। শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও তেল সমানভাবে জনপ্রিয়। বেল সাধারণত আমরা শরবত বানিয়ে খেয়ে থাকি। গ্রীষ্মকালে
মৌরির উপকারিতা

মৌরির উপকারিতা ও অপকারিতা

আমাদের রান্নাঘরে সবচেয়ে পরিচিত একটি মসলা মৌরি। এটি অতি ক্ষুদ্র বীজ জাতীয় মসলা, যার চাষ সারা বাংলাদেশেই হয়ে থাকে। প্রাচীনকাল

Leave a Reply