0 তাকদীর অর্থ কী তাকদীর শব্দটি আরবী। এর শাব্দিক অর্থ হলো, নিয়তি, কপাল, নির্ধারিত ভাগ্য। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে যত কিছু ঘটেছে এবং ঘটবে সবকিছু আল্লাহ তা’আলার জ্ঞান দ্বারা সুনির্ধারিত। এক্ষেত্রে কারো বিন্দুমাত্র কর্তৃত্ব নেই। এই বিশ্বাসকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করাকেই ইসলামের দৃষ্টিতে ‘তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস’ বলা হয়। তাকদীর সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে فَأَنْجَيْنَاهُ وَأَهْلَهُ إِلَّا امْرَأَتَهُ
Category: ইসলাম ধর্ম
1“বিদআত” আমাদের সমাজে একটি বহুল প্রচলিত শব্দ। বিদআত কী? বিদআত কাকে বলে? এবং বিদআতের পরিনাম কী? এই নিয়ে রয়েছে আমাদের মধ্যে নানান দ্বন্দ্ব এবং বাকবিতন্ড। যা নিয়ে আমাদের সমাজ আজ দুটি শ্রেণী বিভক্ত হয়ে গেছে। কেউ বলেন বিদআত মানেই খারাপ। আবার কেউ যুক্তি দিয়ে দেখাতে চান বিদআত ভালো মন্দ দুটোই। তাই আসুন দেখি কুরআন হাদিসের
0তারা পেটে আগুন ভর্তি করছে যারা অন্যায় ভাবে এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করে। আবার অনেকে বিভিন্ন কৌশলে এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করে। এতিমকে লালন পালন করার নামে এক শ্রেণীর মানুষ তাদের সম্পদ আত্মসাৎ করে। এরা বিভিন্ন কৌশলে সম্পদ ভক্ষণ করলেও সবগুলো আত্মসাৎ এর পর্যায়ে পৌঁছাবে। আর এদের সবার পরিণতি অত্যন্ত ভয়ংকর। এরা এতিমের সম্পদ খাচ্ছে না বরং
1 এটি হানাফী মাযহাবের কারো উক্তি নয়। এই হিরকোক্তিটি ২০০ হিজরী শতাব্দীর মুজতাহিদ ও শাফে’ঈ মাযহাবের প্রবর্তক ইমাম শাফে’ঈ রহ. এর। হাম্বলী মাযহাবের বিশিষ্ট ফকীহ ইমাম ইবনুল জাওযীসহ উম্মাহর সকল গ্রহণযোগ্য ইমাম ও ইতিহাসবিদগণ নিজেদের কিতাবে কওলটি উদ্ধৃত করেন। যেমন- قالَ الشافعي رحمة اللَّه عليه: الناس عيال عَلى أبي حنيفة فِي الفقه. অর্থ: শাফে’ঈ
0 কথায় আছে, ‘জন্মিলে মরিতে হয়’। কিন্তু এ মৃত্যুই চূড়ান্ত নয়। মৃত্যুর পর আরো একটি অনন্ত জীবন আছে। সমস্ত প্রাণীজগৎ আবারো আল্লাহর সামনে উত্থিত হবে। সেটাই একজন মানুষের চূড়ান্ত ও আসল জীবন। অতএব বলা যায়- পুনরুত্থান হচ্ছে মৃত্যুর পর পুণরায় উত্থিত হওয়া বা জীবিত হওয়া। ইসলাম ধর্মমতে পুনরুত্থান ইসলাম ধর্মমতে পুনরুত্থান হলো কিয়ামতোত্তোর বিচার
1প্রকৃতির প্রতিশোধ বলতে একটা কথা আছে। এই প্রতিশোধ অত্যন্ত ভয়ংকর। আপনি ভাবতেও পারবেন না প্রকৃতি কিভাবে প্রতিশোধ নেবে। এর প্রতিশোধ অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হওয়ার কারণ হলো এটা প্রাকৃতিক ভাবে নয় বরং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার পক্ষ থেকে গজব হিসাবে আসে। আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় হাবিবের মাধ্যমে আমাদের বলেন عَنْ أَبِي صِرْمَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله
0বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে আমাদের সমাজ থেকে। মানুষ একে অপরকে বিশ্বাস করে না। একে অপরের কথাকে সহসায় মেনে নিতে চায় না। এ কারণে কথা বলার সময় অধিক হারে কসমের প্রচলন হয়ে গেছে। এমনকি আমাদের সমাজে কসম করেও মিথ্যা কথা বলার রীতিও কম নেই। তাইতো মানুষ অনেক কিছু দিয়ে অপরকে কসম করাতে বাধ্য করে, নয়তো কথাটি বিশ্বাসের
0মুশরিক শব্দটির উৎপত্তি শিরক থেকে। আর শিরক হলো আল্লাহর সাথে শরিক করা। যিনি শিরক করেন তিনি হচ্ছেন মুশরিক। আল্লাহ মুশরিকদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং পরিনতির কথা পবিত্র কুরআনের নানান জায়গায় বর্ণনা করেছেন। আজ আমরা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র “মুশরিক” সম্পর্কে জানার চেষ্টা করব। যাতে আমাদের কোনো কাজে কর্মে কথা বার্তায় ঈমান আকিদায় মুশরিকি চরিত্র ঢুকে না
0মানুষকে সৎকর্মশীল হওয়ার উপদেশ দেওয়া আজ একটি পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ সাহিত্যের মাধ্যমে উপদেশ দেয়, কেউ উপদেশ দেয় বক্তৃতার মাধ্যমে। মসজিদের মেম্বারে উপদেশ যেমন হয় তেমন উপদেশ হয় সাধারণ হাটে বাজারে। আলেম-ওলামা থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই একে অপরকে উপদেশ দিতে ব্যস্ত কিন্তু নিজের বেলায় মানুষের চিন্তা চেতনা চলে যায় ভিন্ন দিকে। উপদেশ দিতে ভালবাসি
0নিফাক হলো অন্তরের রোগ। এই রোগে আক্রান্তদের বলা হয় মুনাফিক। আমাদের সমাজে অসংখ্য মুনাফিক রয়েছে যাদের পরিচয় ও পরিনতির কথা আমরা জানি না। অথচ এইসব মুনাফিকরা আমাদের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করে। যাদের দেখে বুঝা যাবে না তারা মুনফিক। তাই আজ আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করব নিফাক কী? মুনাফিকের পরিচয় ও পরিনতি কী। মুনাফিক কাকে