সাজদাহ’য় যেতে রাফ’উল ইয়াদায়নের সবগুলো হাদীস কি য’ঈফ? —১

play icon Listen to this article
0

 

এক লা-মাযহাব বন্ধুর দাবি, সাজদাহ’র সময় রাফ’উল ইয়াদাইন করার প্রত্যেকটা হাদীস নাকি য’ঈফ। এখন আমরা প্রমাণ করে দিবো, লা-মাযহাব বন্ধুরা জালিয়াতি ও অশিক্ষায় কতটা এগিয়ে। আর তাদের মনমতো হাদীস না হলে কীভাবে তারা একটি টাটকা সহীহ হাদীসকে য’ঈফ ও জাল বানিয়ে দেয়!

হাদীস নং ১

এ সংক্রান্ত নাসা’ঈ বর্ণিত প্রথম হাদীস

عَنْ مالِكِ بْنِ الحُوَيْرِثِ أنَّهُ رأى النَّبيَّ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ رفعَ يدَيهِ في صلاتِهِ ، وإذا رَكَعَ وإذا رفعَ رأسَهُ منَ الرُّكوعِ وإذا سجدَ ، وإذا رفعَ رأسَهُ منَ السُّجودِ

মালিক ইবনে হুয়াইরিস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাতের মধ্যে রাফ’উল ইয়াদাইন করতে দেখেছেন, যখন তিনি রুকু করতেন এবং রুকু থেকে উঠতেন এবং যখন তিনি সাজদাহ করতেন এবং যখন তিনি সাজদাহ থেকে মাথা উত্তোলন করতেন। সুনানে নাসাঈ: হা-১০৮৫

স্বল্পশিক্ষিত লা-মাযহাব বন্ধুদের দাবি, এই হাদীসটা য’ঈফ। এখন আমরা দেখবো, আসলে তাদের দাবি সঠিক কিনা এবং এই হাদীসকে কারা কারা সহীহ বলেছেন!

১. ইমাম নাসাঈ সহীহ সনদে নিজের সুনান (সুন্নাহ) গ্রন্থে হাদীসটি এনেছেন এবং তিনি হাদীসটিকে য’ঈফ বলেননি।

[কেউ হয়তো বলতে পারেন, এই হাদীসটি অন্যান্য সহীহ হাদীসের সাক্ষীস্বরূপ। আমি বলি, এই অধ্যায়ে এই বিষয়ে এটাই প্রথম হাদীস, তো কোন হাদীসের সাক্ষী এটি]

২. লা-মাযহাব বন্ধুদের প্রামাণ্য আলেম আলবানী সাহেবও এই হাদীসকে তাঁর একাধিক গ্রন্থে সহীহ বলেছেন। দেখুন: আলবানী রচিত নিচের গ্রন্থগুলো-

[সহীহুন নাসাঈ: ৩/২২৯। ইরওয়াউল গালীল: ২/৬৭। সিফাতু সালাহ: ২/৭০৭। সহীহ সুনানে আবু দাউদ: ৩/৩১১। জামি’উ তুরাস: ৩/৪২৪। তামামুল মিন্নাহ: ১/১৭৬]

ইরওয়াউল গালীল গ্ৰন্থে আলবানী সাহেব এই হাদিসটি উল্লেখ করে বলেন-

وكذلك رواه أحمد (٣/‏٤٣٦، ٤٣٧) وسنده صحيح أيضا. وفى أخرى له مختصرا بلفظ: «كان يرفع يديه حيال فروع أذنيه فى الركوع والسجود». وكذلك رواه أبو عوانة فى «صحيحه (٢/‏٩٥).

وقال الحافظ فى» الفتح ” (٢/‏١٨٥) بعد أن ساقه من طريق النسائى: «وهو أصح ما وقفت عليه من الأحاديث فى الرفع فى السجود». وله شاهد من حديث أنس بلفظ: «أن النبى ﷺ كان يرفع يديه فى الركوع والسجود». رواه ابن أبى شيبة (١/‏٩١/‏١) بإسناد صحيح.

এমনটাই আহমদ বিন হাম্বল তার মুসনাদে আহমদ গ্রন্থের ৩/৪৩৬-৩৭ এ বর্ণনা করেছেন। আর এই হাদীসটির সনদও সহীহ। অন্যত্র এ হাদীসটি আরো সংক্ষিপ্ত শব্দে বর্ণিত হয়েছে, অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু এবং সাজদাহতে দুই কানের লতি পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন (রাফ’উল ইয়াদায়ন) করতেন। এমনটাই আবূ আওয়ানা তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থের ২/৯৫ -এ বর্ণনা করেছেন। এবং ইবনে হাজার আসকালানী রাহিমাহুল্লাহ তার ফাতহুল বারী গ্রন্থে বলেছেন, এই হাদীসটি সাজদাহতে রাফ’উল ইয়াদায়ন করার ব্যাপারে সবচেয়ে সহীহ। (আলবানী আরো বলেন) এ হাদীসটির স্বপক্ষে আনাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর একটি হাদীসও শাহেদ রয়েছে। হাদীসটি হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু এবং সাজদাহতে দুই হাত উত্তোলন করতেন। এটি বর্ণনা করেছে ইবনে আবী শাইবাহ, ১/৯১। এর সনদও সহীহ। [ইরওয়াউল গালীল: ২/৬৭]

সিফাতু সালাহ’য় শায়খ আলবানী সাহেব এই হাদীস সম্পর্কে বলেন-

أخرجه النسائي (١/‏١٦٥)، وأبو عوانة (٢/‏٩٤)، وعنه ابن حزم في «المحلى» (٤/‏٩٢)، وأحمد في «المسند» (٣/‏٤٣٦ و٤٣٧ و٥/‏٥٣) عن قتادة عن نصر بن عاصم عنه. وهذا سند صحيح على شرط مسلم.

এ হাদিসটি নাসাঈ- ১/১৬৫, আবূ আওয়ানাহ- ২/৯৫ ও ইবনে হাযম তাঁর মুহাল্লা গ্ৰন্থের ৪/৯২ এ আর আহমাদ বিন হাম্বল তার মুসনাদে আহমাদ গ্রন্থের ৩/৪৩৬-৩৭ ও ৫/৫৩ এ কাতাদাহ<নসর বিন আসিম থেকে বর্ণনা করেছেন। এই হাদীসটির সনদ সহীহ মুসলিমের শর্তে সহীহ। [সিফাতু সালাহ: ২/৭০৭]

৩. ইবনে হাজার আসকালানী রহ.

তিনি তাঁর ফাতহুল বারী গ্রন্থে ইমাম নাসাঈ বর্ণিত উক্ত হাদীস সম্পর্কে বলেন,

وهو أصح ما وقفت عليه من الأحاديث فى الرفع فى السجود

এই হাদীসটি সাজদাহ’র সময় রাফ’উল ইয়াদায়ন করার পক্ষে সবচেয়ে সহীহ হাদীস।

৪. লা-মাযহাবীদের তৈরি অ্যাপগুলোতেও এই হাদীসটিকে সহীহ বলা হয়েছে।

[জেনে রাখা ভালো, এই সমস্ত অ্যাপ আমাদের দলীল নয়, তবে অ্যাপগুলো যেহেতু লা-মাযহাবদের তাই এগুলো তাদের বিপক্ষে দলীল, যেমন তারা আমাদের বিপক্ষে আমাদের কিতাব থেকে দলিল দিয়ে থাকে। কারণ, উভয়ের এই বিশ্বাস যে অবশ্যই হানাফীরা বা লা-মাযহাবীরা নিজেদের বিপক্ষে ভুল তথ্য দেবে না।

তাছাড়া তারা এ সমস্ত অ্যাপ ব্যতীত চলতেই পারে না এবং এ সব অ্যাপে কোনো ভুল লেখা থাকলেও সেটাকে তারা চোখ বুঝে মেনে নেয়। অথচ তাদের অ্যাপেও এ হাদীসটাকে সহীহ লেখা হয়েছে; কিন্তু তারপরেও তারা নিজেদের নোংরা মানসিকতার কারণে এটাকে সহীহ হিসেবে মানতে রাজি নয়।

আমার কথা হচ্ছে, তারা যদি এটাকে অ্যাপ ডেভলাপারদের ভুল হিসেবে গণ্য করে তবে অন্য ক্ষেত্রে কেনো তারা ডেভলপারদের ভুলগুলো মেনে চলে? আর যদি মেনে নিই যে এটা অ্যাপ ডেভলপারদের ভুল, তবে এটাও মানতে হবে যে এসব অ্যাপে এমন আরও শত শত ভুল রয়েছে। তাই এই সমস্ত অ্যাপকে বিশ্বাস করা উচিত নয়

কিছুদিন আগেও দেখলাম তাদের এই অ্যাপে আলী ইবনুল মাদিনীর কথাকে আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর কথা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। দলীলসহ ভুল শুধরে দেওয়ার পরেও আখিরাতবিমুখ লা-মাযহাবীগুলো নিজেদের ভুল থেকে ফিরে আসেনি এবং এখনো নির্লজ্জভাবে একই মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। অর্থাৎ আলী ইবনুল মাদিনির কথাকে কোন ধরনের সনদ ছাড়াই আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। কিন্তু এখনো এর সনদ দেখাতে পারেনি।]

একটি আপত্তি ও জবাব: লা-মাযহাব বন্ধুরা এই হাদীসের সনদ পর্যালোচনা করে হাদীসটিকে য’ঈফ আখ্যায়িত করেছে। তো এক্ষেত্রে তাদের দোষ কী?

১. সেসব জালিয়াতির জবাব আমরা পরবর্তী পর্বে দিয়ে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। এখন আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, একই সনদ তো সহীহ মুসলিমেও রয়েছে এখন মুসলিমের হাদীসটাকেও কি তারা য’ঈফ বলবে?

২. তারা নিজেদেরকে সালাফী হিসেবে দাবি করে। আমার প্রশ্ন, সালাফদের থেকে কোনো একজন সালাফও কি এই হাদীসটিকে য’ঈফ বলেছেন? যদি কোনো সালাফ এই হাদীসটিকে য’ঈফ না বলেন, তবে তারা কোন সালাফের অনুসরণ করলো?

৩. যারা ইতোপূর্বে এ হাদীসের সনদ বিশ্লেষণ করে হাদীসটিকে সহীহ আখ্যায়িত করেছেন তারা কি হাদীসের মান নির্ধারণ বুঝতেন না? যদি না বুঝে থাকবেন তবে সর্বাগ্রে থাকবে তাদেরই শায়খ আলবানী। এক্ষণে তারা যেনো এটাও মেনে নেয় যে তাদের শায়খ আলবানী এমন বহু ক্ষেত্রে ভুল করেছেন।

[কিন্তু আমরা একথা বলছি না যে শায়খ আলবানী কোনো ক্ষেত্রে ভুল করেন না। আর আমরা শায়খ আলবানীর কথা কেবল লা-মাযহাবদের বিরুদ্ধেই গ্রহণ করে থাকি। কারণ তিনি তাদের জন্য প্রামাণ্য।]

তো যাই হোক, আমরা এই হাদিস সম্পর্কে দু’জন ইমাম ও তাদেরই ঘরের শায়খ আলবানী ও তাদেরই এক জামা’আত অ্যাপ ডেভলপার আলেমের অবস্থান দেখলাম- তারা সকলেই হাদীসটিকে সহীহ হিসেবে গণ্য করেছেন। ইচ্ছে করলে আমরা আরো অনেকের বক্তব্যই দেখাতে পারি, কিন্তু বলা হয়ে থাকে জ্ঞানীর জন্য ইশারাই যথেষ্ট।

তবে আমরা পাঠকের ইত্বমিনান (আত্মিক প্রশান্তির) জন্য এ পর্বে এতদসংক্রান্ত আরো দুইটি সহীহ হাদীস উল্লেখ করবো। বাকি হাদীসগুলো ভিন্ন পর্বে আলাদাভাবে উল্লেখ করবো।

হাদীস নং ২

ইমাম দারাকুতনী স্বীয় গ্রন্থে উল্লেখ করেন-

أنه رأى رسول الله ﷺ يرفع يديه حين يفتتح الصلاة، وإذا ركع، وإذا سجد.

আলকামা ইবনে ওয়ায়েল তাঁর বাবার সূত্রে বলেন, তাঁর বাবা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাফ’উল ইয়াদায়ন করতে দেখেছেন, যখন তিনি সালাত শুরু করতেন এবং রুকু করতেন এবং সাজদাহ করতেন।

আলবানী বলেন, وهذا سند صحيح على شرط مسلم. أخرجه الدارقطني (١٠٩) – এই হাদীসের সনদও মুসলিমের শর্তে সহীহ। এবং এটি বর্ণনা করেছেন দারাকুতনী-১০৯।

দেখুন: আলবানী রচিত [সিফাতু সালাহ: ২/৭০৭]

হাদীস নং ৩

আহমদ বিন হাম্বল তাঁর মুসনাদ আহমদ গ্রন্থে উল্লেখ করেন-

صَلَّيْتُ خَلْفَهُ وكانَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ كُلَّما كَبَّرَ، ورَفَعَ ووَضَعَ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ

আলকামা ইবনে ওয়ায়েল তাঁর বাবার সূত্রে বলেন, তাঁর বাবা বলেছেন, আমি রাসূলের পিছনে সালাত আদায় করেছি, তিনি প্রত্যেক তাকবীরে এবং প্রত্যেক ওঠাতে ও দুই সাজদাহর মধ্যখানের বৈঠকে রাফ’উল ইয়াদায়ন করতেন। [মুসনাদ আহমদ: ৩১/১৫২]

এই হাদীস সম্পর্কে আলবানী তাঁর সহীহ সুনানে আবু দাউদে দলীলাদি উল্লেখ করে বলেন-

فثبت من كل ما تقدم: أن حديث عبد الوارث بن سعيد -في رفع اليدين عند الرفع من السجود- صحيح محفوظ

অতএব, এ সকল দলীলাদির ভিত্তিতে- নিশ্চয়ই উভয় সাজদাহ’র মধ্যখানে রাফ’উল ইয়াদায়নের বিষয়ে আব্দুল ওয়ারিস বিন সাঈদের এ হাদীসটি সহীহ সংরক্ষিত। ৩/৩১১।

📗 লা-মাযহাবদের সামগ্রিক ফতোয়া

তাদের ফতোয়া গ্রন্থে উল্লেখ আছে, “সাজদাহ’র সময় রাফ’উল ইয়াদাইন করার হাদীস নিঃসন্দেহে সহীহ। এটা রাসূল সা. এর শেষ বয়সের আমল। নিঃসন্দেহে এর উপর আমলকারী মৃত সুন্নতকে জিন্দাকারী। তাই একশত শহীদের সওয়াব পাবে।” [ফাতাওয়ায়ে ওলামায়ে আহলে হাদীস: ৪/৩০৬]

তো যাই হোক, সাজদাহ’তে রাফ’উল ইয়াদায়ন করার সবগুলো হাদীস য’ঈফ নয় সেটাই প্রমাণিত করা আমাদের উদ্দেশ্য ছিলো। আর আমরা আহলে হাদীস আলেমদের কিতাব থেকেই প্রমাণ করে দিলাম যে এ সম্পর্কিত সবগুলো হাদীস য’ঈফ নয়।

বোঝার সুবিধার্থে এ পর্বে আমরা মাত্র তিনটি হাদিস উল্লেখ করলাম। যদিও তিনটি হাদীসই সুন্নাহ প্রমাণিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট।

📗 ভাবনার বিষয়

পাঠক, লক্ষ্য করবেন, কীভাবে হাদীস অস্বীকারকারী লা-মাযহাবরা অবলীলায় বলে দিলো এ সংক্রান্ত সবগুলো হাদীস য’ঈফ! অথচ বাস্তবতা তো আপনারা দেখলেনই। এই সমস্ত মূর্খরা এভাবে সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে! সহীহ হাদীসকে দুর্বল বলে বলে সাধারণ মানুষকে হাদীস অস্বীকার করার সাহস জোগাচ্ছে।

প্রশ্ন হলো, এ হাদীসকে যদি আমরা সহীহ মানি তাহলে আমল করছি না কেন? এর উত্তর হচ্ছে আলবানী সাহেব এবং অন্যান্যরা এই হাদীসকে সহীহ বলার পরেও যে কারণে আমল করেছে না আমরাও একই কারণে আমল করছি না অর্থাৎ হাদীসটি মানসূখ বা রহিত। যেমনভাবে রহিত হয়ে গেছে রুকুর আগে এবং পরের রাফ’উল ইয়াদায়নের হাদীস।

চলবে

 

লুবাব হাসান সাফওয়ান

ছাত্র: আল-ইফতা ওয়াল হাদীস

 


আরো পড়ুন-


 


Screenshot 3
বিজ্ঞাপনঃ বই কিনুন, বই পড়ুন

0

লুবাব হাসান সাফ‌ওয়ান

Author: লুবাব হাসান সাফ‌ওয়ান

লুবাব হাসান সাফ‌ওয়ান। ঠিকানা: নোয়াখালী। কর্ম: ছাত্র। পড়াশোনা: আল-ইফতা ওয়াল হাদীস [চলমান] প্রতিষ্ঠান: মাদরাসাতু ফায়দ্বিল 'উলূম নোয়াখালী।

নিচের লেখাগুলো আপনার পছন্দ হতে পারে

কবিতা কোরআনের শাসন আফছানা খানম অথৈ

কোরআনের শাসন আফছানা খানম অথৈ সত্যিকারের ভালো মানুষ নেই জগতে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে মনুষ্যত্ব। লোপ পেয়েছে মানুষের জ্ঞান
ইসলামের জীবন দর্শন- লেখক ডট মি

ইসলামের জীবন দর্শন-(এক)

ইসলামের জীবন বিধান দর্শন জ্ঞান-(এক)   ইসলামী জীবন বিধানের মূল কন্ঠস্বর হলো কোরআনের জ্ঞান দর্শণ ও আহলে বাইত প্রেম দর্শণ

কুরআন ও হাদীসের আলোকে ছাত্র ও শিক্ষকের সম্পর্ক।

যিনি শিক্ষাগ্রহণ করেন তিনি ছাত্র এবং যিনি শিক্ষাদান করেন তিনি শিক্ষক। আর তাদের মধ্যকার সম্পর্কই ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক। এ সম্পর্ক হচ্ছে

আসুন, আমরা পরোপকারী হই

পরোপকার একটি মহৎ গুণ। এটি প্রিয় নবী (সা.) এর সুমহান আদর্শ, খাঁটি মোমিন-মুসলমানের পরিচয়। মহান আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘আমার

Leave a Reply